Web Analytics

ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম রেকর্ড পরিমাণে বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ তীব্র অর্থনৈতিক চাপে পড়েছে। ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে আগ্রাসন চালানোর পর ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম ৭১–৮১ ডলার থেকে এপ্রিলের শুরুতে ১২৮ ডলারে পৌঁছায়। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশের প্রায় ৬৩ শতাংশ জ্বালানি আসে, যা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরকার ৮ মার্চ থেকে তেল রেশনিং চালু করে। দেশে জ্বালানির দাম এক দফায় ১৬ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে এবং ১৮ দিনের মধ্যে দুই দফায় এলপি গ্যাসের দামও বেড়েছে, ফলে মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে।

এই যুদ্ধ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ‘কস্ট-পুশ ইনফ্লেশন’ সৃষ্টি করেছে, যা পরিবহন, শিল্প ও কৃষি খাতে প্রভাব ফেলছে। সরকার ইতোমধ্যে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার জরুরি ঋণ চেয়েছে, তবে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক ভর্তুকি কমানোর শর্ত দিচ্ছে। জ্বালানির উচ্চমূল্য কৃষি উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে খাদ্য নিরাপত্তার ওপরও হুমকি তৈরি করছে।

যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত প্রবাসীদের রেমিট্যান্সপ্রবাহও ঝুঁকিতে পড়তে পারে, যা দেশের অর্থনীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

21 Apr 26 1NOJOR.COM

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে তেলের দাম বৃদ্ধি, বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানি সংকট তীব্র

নিউজ সোর্স

ইরান যুদ্ধ : কোথায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ | আমার দেশ

আলফাজ আনাম
প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯: ৪৩আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১০: ৪৫
ইরান যুদ্ধের উত্তাপ এখন বাংলাদেশের মানুষ হাড়ে হাড়ে টের পেতে শুরু করেছে। এক দফায় জ্বালানি তেলের দাম ১৬ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় প্রতিটি পণ্যের দাম বাড়তে শুরু কর

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।