Web Analytics

রাজশাহী জেলার একটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাতের জরুরি দায়িত্বে থাকা এক চিকিৎসক অজ্ঞান ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত এক রোগীর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করতে না পারার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। জরুরি বিভাগের একমাত্র গ্লুকোমিটারটি বিকল থাকায় রক্তের গ্লুকোজ পরীক্ষা সম্ভব হয়নি। ইসিজি মেশিনও চালু হলেও কাগজ প্রিন্ট করছিল না। রোগীকে স্যালাইন দিয়ে শহরের হাসপাতালে পাঠানো হয়, কিন্তু সরকারি অ্যাম্বুলেন্সটিও প্রায় এক মাস ধরে নষ্ট ছিল বলে লেখক জানান।

লেখকের মতে, এটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; দেশের চার শতাধিক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রায় সবগুলোর অবস্থাই কমবেশি একই। বহু যন্ত্রপাতি দীর্ঘ সময় অকেজো থাকে এবং বারবার বলার পর কখনো সাময়িকভাবে মেরামত করা হয়। গ্লুকোমিটারের স্ট্রিপ শেষ হলে নতুন স্ট্রিপ পেতে ১৫ থেকে ২০ দিন লাগার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে লেখক বলেছেন, নতুন ভবনের সঙ্গে কার্যকর সরঞ্জাম ও প্রয়োজনীয় জনবলও নিশ্চিত করা দরকার। বিদ্যমান অবকাঠামোর পূর্ণ ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ হলে রোগীদের দূরে যাওয়া, বাড়তি খরচ, ভোগান্তি এবং বড় শহরের হাসপাতালে চাপ কমতে পারে বলে তিনি মত দেন।

05 Nov 26 1NOJOR.COM

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিকল জরুরি যন্ত্রপাতি ও সেবাঘাটতির অভিযোগ

নিউজ সোর্স

উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার নির্মম বাস্তবতা

ঘড়ির কাঁটায় রাত প্রায় ২টা। রাজশাহী জেলার একটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি চিকিৎসা কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছি। একজন রোগীকে তার আত্মীয়স্বজন অজ্ঞান অবস্থায় নিয়ে এলেন। রোগীর ইতিহাস নিয়ে জানলাম, আগে থেকেই তার ডায়াবেটিস ছিল। এখন এই রোগী বা যেকোনো মা

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।