Web Analytics

২০২৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ একটি বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করে, যার মাধ্যমে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক ৩৭% থেকে কমিয়ে ১৯% নির্ধারণ করা হয় এবং মার্কিন তুলা দিয়ে তৈরি পোশাকের জন্য শূন্য শুল্কের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের রায়ে মূল ট্যারিফের আইনি ভিত্তি বাতিল হওয়ায় চুক্তিটি অনিশ্চয়তায় পড়ে। নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে স্বাক্ষরিত এই চুক্তি বৈষম্যমূলক ধারা ও অসম বাধ্যবাধকতার কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছে।

৩২ পাতার এই চুক্তিতে বাংলাদেশের জন্য ১৩১টি বাধ্যবাধকতা থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য মাত্র ছয়টি। বিতর্কিত ধারাগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা নীতির সাথে বাধ্যতামূলক সামঞ্জস্য, স্থানীয় পর্যালোচনা ছাড়া জিএমও পণ্য আমদানির অনুমতি, বোয়িং বিমান কেনার প্রতিশ্রুতি এবং RCEP-এ যোগদানের সীমাবদ্ধতা। এছাড়া WTO-তে ডিজিটাল পণ্যের শুল্ক মোরেটোরিয়াম সমর্থনের বাধ্যবাধকতাও রয়েছে। তবে শ্রম আইন সংস্কার ও পরিবেশ সংরক্ষণ সংক্রান্ত কিছু ধারা বাংলাদেশের নিজস্ব নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায় ও মালয়েশিয়ার অভিজ্ঞতা বিবেচনায় বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার এখন চুক্তিটি পুনরায় আলোচনার আইনি ও কূটনৈতিক সুযোগ পেয়েছে, বিশেষত সার্বভৌমত্ব, জিএমও নিয়ন্ত্রণ ও বাণিজ্য বৈচিত্র্য রক্ষার ক্ষেত্রে।

16 May 26 1NOJOR.COM

যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের রায়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি অনিশ্চয়তায়

নিউজ সোর্স

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্য চুক্তি: একটি অসম্পূর্ণ বিশ্লেষণ | আমার দেশ

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ২১: ০৫আপডেট : ১৫ মে ২০২৬, ২১: ৪১
২০২৫ সালে ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্যে ৩৭% পাল্টা শুল্ক আরোপ করে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য এবং সবচেয়ে বড় রেমিট্যান্সের উৎস, তাই এই সিদ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।