Web Analytics

রাজশাহীর পবা উপজেলার মিডল চর, স্থানীয়দের কাছে ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ নামে পরিচিত হলেও, এর বাসিন্দারা মৌলিক নাগরিক সেবার তীব্র সংকটে রয়েছেন। পদ্মা নদীর মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে অবস্থিত চরটি হরিয়ান ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চরখিদিরপুরের অংশ। প্রায় ১৪০ থেকে ১৫০টি বসতিতে সাত শতাধিক মানুষ বাস করেন। কৃষি ও পশুপালন প্রধান জীবিকা হলেও এখানে চিকিৎসা, বাজার, গ্রিড বিদ্যুৎ, কবরস্থান, উচ্চশিক্ষা ও বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নেই।

চরে হাসপাতাল, ক্লিনিক, ফার্মেসি বা প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা না থাকায় জরুরি রোগী ও সাপে কাটা ব্যক্তিদের নৌকায় নদী পেরিয়ে শহরে নিতে হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রাত ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় গর্ভবতী নারী, শিশু ও গুরুতর রোগীদের ঝুঁকি আরও বাড়ে। মৃত্যুর পর দাফনের জন্য লাশ খোজাপুর ও দাসমারি এলাকার কবরস্থানে নিতে হয়। নিত্যপণ্যের জন্যও বাসিন্দাদের নদী পেরিয়ে মূল ভূখণ্ডের বাজারে যেতে হয়।

ভাদ্র ও আশ্বিনে বন্যার পানিতে চরাঞ্চল ডুবে গেলে পরিবার ও গবাদিপশু নিয়ে বাসিন্দাদের অন্যত্র আশ্রয় নিতে হয় এবং ফসলের ক্ষতি হয়। স্থানীয়রা হাসপাতাল, উচ্চ বিদ্যালয়, পর্যাপ্ত সোলার প্যানেল এবং মানুষ ও পশুর জন্য উঁচু আশ্রয়কেন্দ্র বা কেল্লা নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। জমির খাজনা ও নামজারির কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় অনেক বাসিন্দা নিজেদের ভিটেমাটি নিয়েও অনিশ্চয়তায় আছেন।

30 Aug 26 1NOJOR.COM

মিডল চরের বাসিন্দাদের হাসপাতাল, স্কুল, বিদ্যুৎ ও বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রের দাবি

নিউজ সোর্স

রাজশাহীর ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ সৌন্দর্যের আড়ালে বঞ্চনার গল্প

দিগন্তজোড়া নীল-সাদা আকাশ, চারদিকে সবুজের সমারোহ, যতদূর চোখ যায় পদ্মার থইথই পানি—প্রকৃতির এমন অপরূপ সৌন্দর্যে ভাসছে রাজশাহীর পবা উপজেলার মিডল চর। প্রায় ১৫ মাইলজুড়ে বিস্তৃত এই চরকে স্থানীয়রা ভালোবেসে ডাকেন ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’। তবে চোখ ধাঁধানো এই সৌন্দ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।