Web Analytics

২০২৬ সালের ৭ জুলাই প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইনগত নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশে পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৯৯৫ সালের ‘বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন’-এর অধীনে সরকার ক্ষতিকর পলিথিন ও প্লাস্টিক সামগ্রী উৎপাদন, আমদানি ও বিক্রি নিষিদ্ধ করতে পারে। ২০০৪ সালের বন্যার পর কঠোর পদক্ষেপে ব্যবহার কমলেও ২০০৮ সালের পর নজরদারির দুর্বলতায় অবৈধ উৎপাদন ও বিনা মূল্যে বিতরণ আবার শুরু হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একবার ব্যবহারযোগ্য পলিথিন ব্যাগ এখন শহর ও গ্রাম উভয় এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে, যা নালা-খাল বন্ধ করে পরিবেশ দূষণ ঘটাচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য ও পরিবেশ উপদেষ্টারা জনগণকে ২০ টাকায় পাটের ব্যাগ ব্যবহারে উৎসাহিত করলেও তা কার্যকর হচ্ছে না। লেখকের মতে, সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে পলিথিনের ওপর উচ্চ শুল্ক, কর ও ভ্যাট আরোপ করা হলে ব্যাগের দাম ২০–৩০ টাকার নিচে না থাকায় ব্যবহার কমবে এবং মানুষ পুনর্ব্যবহারযোগ্য বিকল্পে ঝুঁকবে।

এতে পরিবেশ দূষণ হ্রাসের পাশাপাশি সরকারের রাজস্বও বাড়বে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

07 Jul 26 1NOJOR.COM

পলিথিন ব্যাগ নিয়ন্ত্রণে উচ্চ শুল্ক আরোপ ও পরিবেশবান্ধব বিকল্পে উৎসাহের আহ্বান

নিউজ সোর্স

পলিথিন নিয়ন্ত্রণে দরকার উচ্চ শুল্কহার | আমার দেশ

সৈয়দ আসিফ ইকবাল
প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৯: ৪২
‘বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫’-এর ৬(ক) ধারামতে, সরকার সব ধরনের পলিথিন শপিং ব্যাগ বা পলিইথাইলিন বা পলিপ্রপাইলিনের সামগ্রী, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর, তা উৎপাদন, আমদানি, বাজারজাতকরণ, বিক্রি ও বিক্রির জ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।