Web Analytics

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে রূপান্তরিত একটি আর্টিসানাল ট্রলিং বোট দুই দিনে প্রায় ৮০ মণ ইলিশ ধরেছে। এফবি আব্দুল্লাহ ট্রলারটি বুধবার বিকেলে ওই মাছ নিয়ে আলিপুর মৎস্য বন্দরে আসে। সিফাত ফিসের নিলামে মাছগুলো প্রায় ২০ লাখ টাকায় বিক্রি হয়। ট্রলারের মাঝি বাদশা জানান, ১৮ জন জেলে নিয়ে চার দিন আগে গভীর সমুদ্রে যাওয়ার পর মঙ্গলবার পায়রা বন্দরের শেষ বয়া সংলগ্ন এলাকায় বিপুল ইলিশ ধরা পড়ে। মাছগুলোর আকার তুলনামূলক ছোট ছিল।

কুয়াকাটা, মহিপুর, আলিপুর ও আশাখালীর সাধারণ জেলেরা বলছেন, সাগরে দিনের পর দিন থেকেও তারা আগের মতো মাছ পাচ্ছেন না এবং অনেক সময় খরচ না উঠিয়ে লোকসানে ফিরছেন। তাদের অভিযোগ, অবৈধ ট্রলিং বোট ফিশ ফাইন্ডার, জিপিএস, রাডার ও সূক্ষ্ম ফাঁসের জাল ব্যবহার করে মাছের ঝাঁক শনাক্ত করে বিপুল মাছ আহরণ করছে।

মৎস্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ছোট ইলিশ ও পোনা ধরলে ভবিষ্যতের প্রজননক্ষম ইলিশের সংখ্যা কমতে পারে এবং জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, সামুদ্রিক মৎস্য আইনের তফসিল অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে; মালিকদের সতর্ক করা হয়েছে এবং আগে কয়েকটি বোট জব্দ করে মামলা করা হয়েছে।

27 Aug 26 1NOJOR.COM

কুয়াকাটায় ট্রলারে ৮০ মণ ইলিশ, অবৈধ ট্রলিং নিয়ে সাধারণ জেলেদের উদ্বেগ

নিউজ সোর্স

কুয়াকাটায় এক ট্রলিং বোটে ৮০ মণ ইলিশ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে একটি রূপান্তরিত আর্টিসানাল ট্রলিং বোটে মাত্র দুই দিনের মাছ শিকারে প্রায় ৮০ মণ ইলিশ ধরা পড়েছে। এতে সাধারণ জেলেদের মনে প্রশ্ন জেগেছে—একটি ট্রলিং বোট যদি মাত্র দুই দিনে ৮০ মণ ইলিশ তুলে নিতে পারে, তাহলে সাধারণ জেলেদ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।