Web Analytics

সাগরদূষণ ও প্লাস্টিক বর্জ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে বুধবার সকালে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে বর্জ্য গায়ে জড়িয়ে নামেন ১২ স্বেচ্ছাসেবী। ‘বর্জ্যমানব’ সেজে তাঁরা প্লাস্টিকের বোতল, মগ, ছোট বালতি, থালা ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক বর্জ্য পরেন। সমুদ্র থেকে সংগ্রহ করা এসব বর্জ্য দিয়ে সাজানো স্বেচ্ছাসেবীদের দেখে পর্যটকদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়; অনেকে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন।

সকালে লাবণী পয়েন্ট থেকে প্লাস্টিক ও পরিবেশদূষণবিরোধী শোভাযাত্রা বের হয়। এতে দুই শতাধিক শিক্ষার্থী, পরিবেশকর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি অংশ নেন। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন। তিনি বলেন, গত ১০ দিনে অন্তত ১০ লাখ পর্যটক কক্সবাজার ভ্রমণ করেছেন এবং এখনো শহরে লাখো পর্যটক অবস্থান করছেন।

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের পরিচালক জামাল উদ্দিন বলেন, ডাস্টবিন থাকা সত্ত্বেও অনেক পর্যটক বালুচরে ময়লা ফেলেন, যা সমুদ্রের পানিতে ছড়িয়ে দূষণ সৃষ্টি করে। ১২ নারী-পুরুষকে বর্জ্যমানব সাজানোর উদ্দেশ্য ছিল প্লাস্টিক বর্জ্যের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরা। এর আগে ১২ অক্টোবর একই স্থানে বর্জ্য দিয়ে নির্মিত ৫০ ফুট উঁচু ভাস্কর্য উদ্বোধন করে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন।

29 Oct 26 1NOJOR.COM

প্লাস্টিকদূষণ রোধে কক্সবাজার সৈকতে বর্জ্যমানব সেজে সচেতনতা প্রচার

নিউজ সোর্স

সাগর বাঁচাতে বর্জ্য গায়ে সৈকতে নামলেন ১২ ‘বর্জ্যমানব’

কারও শরীরজুড়ে প্লাস্টিকের বোতল, মগ ও ছোট বালতি। কারও গায়ে প্লাস্টিকের থালা। আবার কেউ সেজেছেন বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্জ্য দিয়ে। এভাবেই বর্জ্য গায়ে জড়িয়ে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে নেমেছেন ১২ স্বেচ্ছাসেবী। তাঁদের ব্যতিক্রমী উপস্থিতি ঘিরে পর্যটকদের মধ্যে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।