Web Analytics

বাংলাদেশ সরকার নদী, খাল ও উপকূল রক্ষায় আইন কঠোর করতে জাতীয় নদীরক্ষা কমিশন (সংশোধন) আইন ২০২৬-এর খসড়া প্রণয়ন করেছে। প্রস্তাবিত আইনে অবৈধভাবে নদীর জমি দখল বা উচ্ছেদে বাধা দেওয়া ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং পুনরায় অপরাধ করলে শাস্তি দ্বিগুণ হবে। অবৈধভাবে বালু, পাথর বা মাটি উত্তোলন, দূষণ বা নাব্য বিনষ্টের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও ১৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। দেশের সব নদীকে আইনি ব্যক্তি, আইনি সত্তা ও জীবন্ত সত্তা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

খসড়া আইনে জাতীয় নদীরক্ষা কমিশনকে স্বাধীন ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে গঠন এবং নদী দখল ও দূষণবিরোধী তদন্ত, পরিদর্শন ও মামলা করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। নদী বা খালসংলগ্ন যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্পের আগে কমিশনের অনাপত্তি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞ শরীফ জামিল উদ্যোগটিকে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, নদীকে আইনি সত্তা হিসেবে স্বীকৃতি পরিবেশ আইনে বড় পরিবর্তন আনবে। তবে তিনি সতর্ক করেছেন, কমিশনের স্বাধীনতা ও মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন নিশ্চিত না হলে আইনটির কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।

28 Mar 26 1NOJOR.COM

নদী রক্ষায় নতুন আইন খসড়া, আইনি সত্তা ও কঠোর শাস্তির বিধান

নিউজ সোর্স

নদী দখল রোধে কঠোর হচ্ছে আইন | আমার দেশ

গাজী শাহনেওয়াজ
প্রকাশ : ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৯: ৪১আপডেট : ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৯: ৫৬
নদী, খাল ও সমুদ্র উপকূল রক্ষায় আইনে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। এ পরিবর্তনে আগামীতে অবৈধভাবে নদীর জায়গা দখল করলে এবং এ দখল উদ্ধারে সরকারি কাজে বাধা দিলে তা ফৌজদারি

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।