Web Analytics

বিশ্ববাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের চামড়াশিল্প এখন বড় সংকটে পড়েছে। পরিবেশগত মানদণ্ড না মানা, আন্তর্জাতিক সনদ ‘এলডব্লিউজি’ না থাকা এবং পরিকল্পনার অভাবে বিদেশি ক্রেতারা আগ্রহ হারাচ্ছেন। উৎপাদন ও রপ্তানি কমে যাওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বিদেশি চামড়ার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। বাটা ও এপেক্সের মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি চামড়া কেনা কমিয়ে দিয়েছে, আর সরকারি প্লট পাওয়া অনেক উদ্যোক্তা রপ্তানি করতে পারছেন না।

২০১৭ সালে হাজারীবাগ থেকে সাভারে ট্যানারি স্থানান্তরের পর থেকেই শিল্পটি দুরবস্থায় পড়েছে। সাভারের কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) এখনো পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হয়নি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নিম্নমানের যন্ত্রপাতি ও দুর্নীতির কারণে প্রকল্পটি ব্যর্থ হয়েছে, ফলে ইউরোপীয় ও কোরিয়ান ক্রেতারা সরে গেছেন। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে রপ্তানি আয় ছিল ১১৪৫.০৭ মিলিয়ন ডলার, যা বৈশ্বিক বাজারের তুলনায় অনেক কম।

শিল্প সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো বলছে, সিইটিপি আধুনিকায়ন, পরিবেশগত মান নিশ্চিতকরণ এবং এলডব্লিউজি সনদ অর্জনের জন্য সরকারি-বেসরকারি যৌথ বিনিয়োগ জরুরি। পাশাপাশি সরকারি প্লটের অপব্যবহার রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

04 Jun 26 1NOJOR.COM

অব্যবস্থাপনা ও সনদ সংকটে বাংলাদেশের চামড়াশিল্পে রপ্তানি ধস

নিউজ সোর্স

চরম অব্যবস্থাপনায় চামড়ার বাজারে ধস | আমার দেশ

আবু সুফিয়ান
প্রকাশ : ০৪ জুন ২০২৬, ০৮: ৩০
বিশ্ববাজারে ব্যাপক চাহিদা সত্ত্বেও বাংলাদেশের চামড়াশিল্প এখন বড় সংকটের মুখে। আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কড়া শর্ত, পরিবেশগত মানদণ্ডের অভাব এবং সঠিক পরিকল্পনা না থাকায় এ শিল্প তার আগের উজ্জ্বল সম্ভাবনা হারিয়ে ফেলছে।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।