Web Analytics

২০২৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রম মূল্যায়ন করা হয়েছে। নির্বাচনি ম্যান্ডেট ছাড়াই ক্ষমতায় আসা এই সরকার মানবাধিকার সংকট ও রাজনৈতিক আস্থাহীনতার মধ্যেও ভেঙে পড়া রাষ্ট্রকে স্থিতিশীল করার দায়িত্ব গ্রহণ করে। বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সরকার সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় পতন ঠেকাতে সক্ষম হয় এবং বিচার বিভাগ, নির্বাচন, প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন ব্যবস্থায় সংস্কারের উদ্যোগ নেয়।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও অধ্যাপক আলী রীয়াজের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনকে সরকারের অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যার লক্ষ্য ছিল বিভক্ত সমাজে ন্যূনতম সমঝোতা প্রতিষ্ঠা। জুলাই সনদকে অতীতের ফ্যাসিস্ট শাসনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ‘আর কখনো নয়’ ঘোষণা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তবে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা বাহিনীর জবাবদিহি ও দুর্নীতি দমনে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়াকে বড় সীমাবদ্ধতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

অর্থনৈতিকভাবে অন্তর্বর্তী সময়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ উন্নত হলেও মূল্যস্ফীতি ও কর্মসংস্থানের সমস্যা রয়ে যায়। বিশ্লেষণটি উপসংহারে বলেছে, এই সরকারের মূল সাফল্য ছিল রাষ্ট্রের পতন রোধ ও সংস্কারের ভিত্তি স্থাপন, যার ধারাবাহিকতা ভবিষ্যৎ নির্বাচিত নেতৃত্বের ওপর নির্ভর করবে।

14 Feb 26 1NOJOR.COM

বাংলাদেশের ২০২৪ অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার প্রচেষ্টা ও সীমাবদ্ধতার বিশ্লেষণ

নিউজ সোর্স

অন্তর্বর্তী সরকারের সফলতা-ব্যর্থতা | আমার দেশ

আবদুল লতিফ মাসুম
প্রকাশ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯: ৫৪আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯: ৫৯
আবদুল লতিফ মাসুম
বাংলাদেশ জাতিরাষ্ট্রের অভ্যুদয় ও বিকাশ একটি অনন্য ঘটনা। ১৯৭০ সালে এতদঞ্চলের জনগণ পশ্চিমাঞ্চলীয় শাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে গণরায় প্রদান করে। পাকিস

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।