Web Analytics

নোবেল কমিটির নাভি পিল্লাইকে শান্তি পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্তে ইসরাইলে তীব্র নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্ত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর গাজায় ইসরাইলের কর্মকাণ্ড গণহত্যার শামিল—এমন ধারণার প্রতি নোবেল কমিটির সমর্থনকে আরও জোরালো করেছে।

পিল্লাই জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশনের সভাপতিত্ব করেছিলেন। কমিশনটি ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে, ইসরাইলের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের বক্তব্য এবং সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকাণ্ড থেকে গাজায় গণহত্যার মতো কাজের মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের ধ্বংস করার অভিপ্রায় স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়। প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ একাধিক জ্যেষ্ঠ ইসরাইলি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গণহত্যায় উসকানির অভিযোগ আনা হয়।

ইসরাইল এসব অভিযোগ বরাবরই জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করে এসেছে এবং বলেছে, তাদের যুদ্ধ পরিচালনার কর্মকাণ্ড গণহত্যা নয়। যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা দেশের সরকারগুলো ‘গণহত্যা’ শব্দটি ব্যবহার এড়িয়ে চললেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বড় অংশে ইসরাইল তার অবস্থানের পক্ষে সমর্থন হারাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের প্রতি আচরণের কারণে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড সম্প্রতি ইসরাইলের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছেন।

10 Oct 26 1NOJOR.COM

পিল্লাইয়ের নোবেল শান্তি পুরস্কারে ইসরাইলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা

নিউজ সোর্স

পিল্লাইয়ের নোবেল বিজয়ে ইসরাইলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা

নোবেল কমিটির নাভি পিল্লাইকে শান্তি পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্তে ইসরাইলে তীব্র নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর মাধ্যমে মর্যাদাপূর্ণ এই সংস্থাটি ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে গাজায় ইসরাইলের কর্মকাণ্ড গণহত্যার শামিল—এই ধারণার প্রত

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।