Web Analytics

চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে স্বাভাবিক চাহিদার চেয়ে বেশি ফল আমদানি হলেও বাংলাদেশে বিদেশি ফলের দাম চড়া রয়েছে। এ সময়ে চার লাখ ১২ হাজার টন ফল আমদানি হয়েছে, যেখানে সর্বোচ্চ স্বাভাবিক চাহিদা ছিল চার লাখ পাঁচ হাজার টন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত বছরের তুলনায় সব ধরনের ফল কেজিতে অন্তত ১০০ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে ক্যাবের দাবি, দুর্বল বাজার ব্যবস্থাপনার কারণে আমদানি করা ফলের দাম নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।

চট্টগ্রামের ফলমণ্ডী পাইকারি বাজারে সাড়ে ছয় কেজির আঙুরের ক্যারেট বিক্রি হয়েছে ১,৯০০ থেকে ২,১০০ টাকায় এবং ২৪ কেজির আপেলের ক্যারেট ৫,৩০০ থেকে ৫,৫০০ টাকায়। কাজীর দেউড়িতে পাইকারিতে ৩২৪ টাকা কেজির আঙুর ৫০০ টাকায় এবং ২৩০ টাকা কেজির আপেল ৩৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বিক্রেতা আবুল হাশেম বলেন, উচ্চ পাইকারি দামের কারণে বিক্রি কমছে এবং অনেক ক্রেতা দাম শুনে ফল না কিনেই চলে যাচ্ছেন।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, আমদানি করা ফলে প্রায় ১২১.৭ শতাংশ মোট কর আরোপ হয়; এর সঙ্গে জাহাজ ও রেফার কনটেইনার ভাড়া যুক্ত হয়। ব্যবসায়ীরা বাড়তি পরিবহন ব্যয় এবং আফ্রিকার পণ্যের জাহাজ চলাচলের রুট পরিবর্তনের কথাও বলেছেন। ফল ব্যবসায়ী সমিতি আশা করছে, মাসের শেষে কয়েকটি জাহাজ একসঙ্গে এলে পচনশীল পণ্যের সরবরাহ বাড়ায় দাম কমতে পারে।

18 Oct 26 1NOJOR.COM

চাহিদার চেয়ে বেশি ফল আমদানি হলেও দেশে দাম চড়া রয়েছে

নিউজ সোর্স

চাহিদার চেয়ে বেশি ফল আমদানি, তবু দাম নাগালের বাইরে

চাহিদার চেয়ে বেশি ফল আমদানি হলেও দেশের বাজারে দাম বেশ চড়া। গেল বছরের চেয়ে সব ধরনের ফল কেজিতে অন্তত ১০০ টাকা বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে। ফলের দাম বৃদ্ধির জন্য ব্যবসায়ীরা উচ্চ শুল্কহার ও খরচ বেড়ে যাওয়াকে দায়ী করছেন।
তবে ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা কনজ্যুমার

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।