Web Analytics

চট্টগ্রাম নগরীর প্রবেশদ্বারে কর্ণফুলী নদীর ওপর অবস্থিত ঐতিহাসিক কালুরঘাট সেতু বোয়ালখালী ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের নিত্যদিনের দুর্ভোগের কারণ হয়ে উঠেছে। একমুখী এই সেতুতে যানজটের কারণে ১০ মিনিটের পথ পার হতে চালক ও যাত্রীদের প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

ব্রিটিশ সরকার ১৯৩১ সালে মূলত ট্রেন চলাচলের জন্য সেতুটি নির্মাণ করে এবং ১৯৫৮ সালে সাধারণ যানবাহনের জন্য খুলে দেয়। প্রায় ৯৫ বছরের পুরোনো সেতুটি তিন দশক ধরে জোড়াতালি দিয়ে টিকিয়ে রাখা হয়েছে। বোয়ালখালীর প্রায় তিন লাখ বাসিন্দা ছাড়াও পটিয়ার উত্তর প্রান্ত ও দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ার মানুষ চট্টগ্রাম শহরে যাতায়াতে এটি ব্যবহার করেন। ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের ভারী যাত্রী ও মালবাহী ট্রেনও সেতুটি দিয়ে চলাচল করে।

বিশেষজ্ঞরা দুই দশক আগেই সেতুটিকে ব্যবহারের অনুপযোগী ঘোষণা করে বড় মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করেছিলেন। ২০২৫ সালের মে মাসে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস নতুন সেতুর নির্মাণকাজ ও ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন। ২০২৬ সালে মূল কাজ শুরু করে ২০৩০ সালের মধ্যে যান চলাচলের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলেও প্রকল্পের গতি এখনো ধীর।

06 Nov 26 1NOJOR.COM

কালুরঘাট সেতুর যানজটে ১০ মিনিটের পথ পার হতে লাগছে প্রায় এক ঘণ্টা

নিউজ সোর্স

কালুরঘাট সেতুতে ১০ মিনিটের পথ পেরোতে লাগছে এক ঘণ্টা

চট্টগ্রাম নগরীর প্রবেশদ্বারে কর্ণফুলী নদীর ওপর নির্মিত ঐতিহাসিক কালুরঘাট সেতুটি এখন বোয়ালখালীসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের লাখো মানুষের নিত্যদিনের চরম দুর্ভোগ ও কান্নার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাত্র ১০ মিনিটের পথ পার হতে বর্তমানে চালক ও যাত্রীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।