Web Analytics

পুলিশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে নথিভুক্ত দস্যুতার ৮৫ শতাংশের বেশি সড়ক ও মহাসড়কে ঘটছে। দুর্বৃত্তরা প্রধানত গভীর রাতে নির্জন সড়ককে লক্ষ্য করে। গত আগস্টে দেশে রেকর্ড হওয়া ১৫৪টি দস্যুতার মধ্যে ১৩১টি সড়কে ঘটে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও গাজীপুর মহানগরসহ বিভিন্ন রেঞ্জেও সড়ককেন্দ্রিক ঘটনার আধিক্য দেখা গেছে।

গত ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশ ৩৮৭টি ডাকাতি ও ১,৩৭৪টি দস্যুতার ঘটনা রেকর্ড করেছে। ১৩১টি ডাকাতির সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬৫টি ঘটেছে রাত দুইটা থেকে ভোরের আগে; দিনের আলোতে ঘটেছে ১৯টি। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নারায়ণগঞ্জ থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত অন্তত ১৫টি স্থানকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্যান্য মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কেও ঘটনার খবর রয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে ঈদগাঁও-কক্সবাজার সড়কে ৫০ থেকে ৬০টি যানবাহনে ডাকাতির ঘটনায় পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার ও কিছু লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করেছে। পুলিশ ইউনিটগুলোকে গ্যাংয়ের যোগাযোগ নেটওয়ার্ক শনাক্ত, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং জামিনে থাকা ব্যক্তিদের নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞরা প্যাট্রোল, তল্লাশি চৌকি, হটস্পট নজরদারি এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সিসিটিভি বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন।

21 Oct 26 1NOJOR.COM

পুলিশের হিসাবে নথিভুক্ত দস্যুতার ৮৫ শতাংশের বেশি ঘটছে সড়কে

নিউজ সোর্স

অরক্ষিত সড়কে দস্যুদের রাজত্ব

অরক্ষিত সড়কে যেন রাজত্ব চলছে দস্যু আর ডাকাত দলের। পুলিশের পরিসংখ্যান বলছে, দেশে মোট দস্যুতার ৮৫ শতাংশই সংঘটিত হয় সড়ক-মহাসড়কে। আর বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ১৫ শতাংশ। ডাকাতি-দস্যুতার জন্য দুর্বৃত্তরা বেছে নেয় গভীর রাতের নির্জন সড়ক।
প্যাট্রোল ও তল্ল

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।