Web Analytics

গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস ৩০ অগাস্ট সামনে রেখে মানবাধিকার সংগঠন অধিকার বলেছে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার প্রায় সাড়ে ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকাকালে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের হাতিয়ার হিসেবে গুম ব্যবহার করেছে। সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, এ সময়ে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মী, ভিন্নমতাবলম্বী ও সাধারণ নাগরিকেরা গুম, নির্যাতন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হন। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট ওই সরকারের পতন হয়।

অন্তর্বর্তী সরকার ৮ অগাস্ট ২০২৪ ক্ষমতা নেওয়ার পর ২৯ অগাস্ট বাংলাদেশ গুম হওয়া থেকে সব ব্যক্তির সুরক্ষাবিষয়ক আন্তর্জাতিক সনদ অনুমোদন করে। অধিকার বলেছে, এর ফলে অভ্যন্তরীণ আইন প্রণয়নের বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়। মন্ত্রিসভা গত ৩ অগাস্ট গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬ অনুমোদন করে এবং ২৭ অগাস্ট সংশোধিত খসড়া জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়।

অধিকার বলেছে, অভিযুক্ত বাহিনী ছাড়া অন্য বাহিনী বা আন্তঃবাহিনী দলকে তদন্ত দেওয়ার বিধানও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করবে না। অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে অভিযোগকারীর সর্বোচ্চ পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের বিধানেরও বিরোধিতা করেছে তারা। সংগঠনটি স্বাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া, নিখোঁজদের পরিবারকে সম্পত্তি ও ব্যাংক হিসাব পরিচালনার সুযোগ দেওয়া এবং ফেরত আসা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কথিত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।

29 Aug 26 1NOJOR.COM

প্রস্তাবিত গুম আইনে স্বাধীন তদন্ত ও ভুক্তভোগী পরিবারের সুরক্ষা চেয়েছে অধিকার

নিউজ সোর্স

ফ্যাসিবাদী সরকার রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের হাতিয়ার হিসেবে গুমকে ব্যবহার করেছে

গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস ৩০ অগাস্ট । ২০০৬ সালের ২০ ডিসেম্বর ‘গুম হওয়া থেকে সমস্ত ব্যক্তির সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক সনদ’টি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয় এবং ২০১০ সাল থেকে এটি কার্যকর হয়।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন ফ্যাসিবাদী

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।