Web Analytics

২০২৩ সালের ১ আগস্ট থেকে কার্যকর সরকারি নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাজধানীসহ সারাদেশে খোলা ড্রামে সয়াবিন ও পাম তেল বিক্রি অব্যাহত রয়েছে। কম দামের কারণে সাধারণ ক্রেতা ও হোটেল ব্যবসায়ীরা এখনো এই তেল ব্যবহার করছেন। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এসব তেল মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, কারণ এতে ভিটামিন ‘এ’ থাকে না এবং নন-ফুড গ্রেড প্লাস্টিক ড্রামে সংরক্ষণের ফলে তেল বিষাক্ত হয়ে যেতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, বাজারে বিক্রি হওয়া মোট ভোজ্যতেলের ৬৫ শতাংশ ড্রামে বিক্রি হয়, যার মধ্যে ৫৯ শতাংশে ভিটামিন ‘এ’ নেই এবং ৩৪ শতাংশে পর্যাপ্ত মাত্রায় নেই। এসব ড্রামে কোনো লেবেল বা উৎসের তথ্য না থাকায় তেলের উৎস শনাক্ত করা যায় না। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ভিটামিন ‘এ’-এর ঘাটতি শিশুদের অন্ধত্ব ও গর্ভবতী নারীদের মৃত্যুঝুঁকি বাড়ায়।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা ও পুষ্টিবিদরা অবিলম্বে খোলা তেল বিক্রি বন্ধ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন। তারা সতর্ক করেছেন, এই তেল বিক্রি অব্যাহত থাকলে জনস্বাস্থ্য ও জাতীয় পুষ্টি নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

08 Feb 26 1NOJOR.COM

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে খোলা তেল বিক্রি, জনস্বাস্থ্যে বাড়ছে ঝুঁকি

নিউজ সোর্স

খোলা ড্রামের বিষাক্ত ভোজ্যতেলে হুমকিতে জনস্বাস্থ্য | আমার দেশ

এমরানা আহমেদ
প্রকাশ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮: ৩৭
এমরানা আহমেদ
রাজধানীর পল্লবীর বাসিন্দা রহিমা (৩২) বাসাবাড়িতে ছুটা বুয়ার কাজ করেন। প্রতি মাসে তার সংসারে সাড়ে তিন লিটার সয়াবিন তেল লাগে। বাজার থেকে খোলা তেল কেনেন তিনি। বেশি দাম দিয়ে বোতলজাত তেল কেনা ত

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।