Web Analytics

ড. আহমদ আনিসুর রহমানের লেখা একটি প্রবন্ধে, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত, পহেলা বৈশাখ তথা বাংলা নববর্ষের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক শিকড় বিশদভাবে আলোচিত হয়েছে। লেখক উল্লেখ করেছেন, জাতীয় সংস্কৃতির প্রতিটি উপাদানের মতোই নববর্ষ উদযাপনের মূল্য নির্ভর করে তার সঠিক ব্যবহারের ওপর। তিনি সতর্ক করেছেন, বিদেশি বা ঔপনিবেশিক প্রভাবের কারণে সাংস্কৃতিক বিকৃতি ঘটলে তা জাতীয় জীবনের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, বাংলা সন প্রবর্তিত হয় প্রায় ১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দে, হিজরি চান্দ্র সনের সৌর সংস্করণ হিসেবে, যা ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল। এটি মূলত কৃষি উৎপাদনের সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চালু করা হয়। লেখক স্পষ্ট করেছেন যে বাংলা সন ভারতের প্রাচীন বিক্রমী সন নয়, বরং বাংলাদেশের নিজস্ব সামাজিক, ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে গঠিত একটি স্বতন্ত্র বর্ষপঞ্জি। প্রবন্ধে বাংলার মুসলিম শাসনব্যবস্থা ও খেলাফতের সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্কও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

লেখকের মতে, পহেলা বৈশাখের প্রকৃত চেতনা রক্ষা করতে হলে এর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ভিত্তি সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি, যাতে অপসংস্কৃতির প্রভাব থেকে তা সুরক্ষিত থাকে।

14 Apr 26 1NOJOR.COM

বাংলা নববর্ষের উৎপত্তি ও সাংস্কৃতিক বিকৃতি রোধে সতর্কতার আহ্বান

নিউজ সোর্স

পহেলা বৈশাখ | আমার দেশ

ড. আহমদ আনিসুর রহমান
প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১: ৫১
পহেলা বৈশাখে, বাঙ্গলার নববর্ষ, অনন্য বিভিন্ন জাতির যার যার নববর্ষের মতোই, জাতীয় সংস্কৃতির একটি উপাদান। সংস্কৃতির সবকিছুর মতোই তার জাতীয় জীবনের জন্য উপযোগময় হবার কথা। তবে, সব সাংস্কৃতিক উপাদানের মতো

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।