Web Analytics

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশে দারিদ্র্য ও বৈষম্য বেড়েছে এবং আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২১ লাখ বেশি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত বাংলাদেশ উন্নয়ন হালনাগাদ প্রতিবেদনে সংস্থাটি বলেছে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি থমকে গেছে এবং বিশেষ করে নারীরা চাকরি হারিয়েছেন। দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের সুরক্ষায় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কার্যকারিতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সবচেয়ে দরিদ্র প্রায় অর্ধেক পরিবার কোনো না কোনো সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতার বাইরে রয়েছে। খাদ্য ভর্তুকি কর্মসূচিগুলো একত্র করা, নগদ সহায়তায় সুবিধাভোগী নির্বাচন উন্নত করা এবং ফ্যামিলি কার্ড যুক্ত করা গেলে অতিরিক্ত ২৮ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনা সম্ভব হতে পারে। প্রমাণভিত্তিকভাবে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ মানুষ শনাক্তে ডায়নামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি বাস্তবায়ন ও সম্প্রসারণের গুরুত্বও তুলে ধরা হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক ২০২৬ ও ২০২৭ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৪ শতাংশ থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে। বিনিয়োগ কমা, রপ্তানি প্রবৃদ্ধির ধীরগতি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির কথা উল্লেখ করে সংস্থাটি ব্যাংকিং, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ ও জ্বালানি খাতে দ্রুত সংস্কারের পরামর্শ দিয়েছে। ২০২৬ সালের জুনে খেলাপি ঋণের হার বেড়ে ৩৩ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছেছে এবং রাজস্ব আদায় ছিল জিডিপির ৮ দশমিক ৩ শতাংশ।

06 Oct 26 1NOJOR.COM

বিশ্বব্যাংক বলছে, ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশে দারিদ্র্য ও বৈষম্য বেড়েছে

নিউজ সোর্স

দেশে দারিদ্র্য ও বৈষম্য বেড়েছে: বিশ্বব্যাংক

একাধিক খাদ্য ভর্তুকি একত্রিত করে বিদ্যমান নগদ সহায়তা কর্মসূচির আরো কার্যকর লক্ষ্য নির্ধারণের সঙ্গে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ যুক্ত করা গেলে দেশের অতিরিক্ত ২৮ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করা সম্ভব হতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির বিশ্

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।