Web Analytics

১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোররাতে প্রবল ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব মেটাতে অবস্থান করছিলেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ফজরের আজানের আগে প্রচণ্ড গুলির শব্দে সাংবাদিক হেলাল উদ্দিন চৌধুরীসহ অনেকে জেগে ওঠেন। কিছুক্ষণ পর জানা যায়, বিদ্রোহী সেনাসদস্যদের হাতে রাষ্ট্রপতি জিয়া ও তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।

মেজর জেনারেল মইনুল হোসেন চৌধুরীর বইয়ে উল্লেখ আছে, ভোর চারটার দিকে জুনিয়র অফিসাররা সার্কিট হাউসে রকেট নিক্ষেপ করে হামলা চালায় এবং লে. কর্নেল মতিউর রহমান কাছ থেকে গুলি চালিয়ে জিয়াকে হত্যা করেন। ভোরের আগে তার মরদেহ সরিয়ে রাঙ্গুনিয়ায় দাফন করা হয়। সাংবাদিকরা জানান, সেনাবাহিনী এলাকা ঘিরে রাখায় কেউ কাছে যেতে পারেনি। দুই দিন চট্টগ্রাম শহর সেনা নিয়ন্ত্রণে ছিল।

ঘটনার পর শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, বিএনপি নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে আসেননি। পরে খবর আসে, অভিযুক্ত কয়েকজন কর্মকর্তা পালানোর সময় নিহত হন এবং মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুর আটক হয়ে সেনানিবাসে নিহত হন। সেনাবাহিনীতে তখন চরম বিশৃঙ্খলা ও অবিশ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল।

30 May 26 1NOJOR.COM

১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে চট্টগ্রামের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির প্রত্যক্ষ বর্ণনা

নিউজ সোর্স

জিয়াউর রহমানকে হত্যার সময় কেমন ছিল চট্টগ্রামের পরিস্থিতি | আমার দেশ

আমার দেশ অনলাইন
প্রকাশ : ৩০ মে ২০২৬, ১৭: ০০আপডেট : ৩০ মে ২০২৬, ১৭: ৪৭
১৯৮১ সালের ৩০ মে, শুক্রবার ভোররাত। প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি।
চট্টগ্রাম বিএনপির অন্তর্দ্বন্দ্ব মেটাতে সন্ধ্যা থেকেই নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করে সার্কিট হাউসে রাতযাপন করছিলেন রাষ্ট্রপতি জি

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।