Web Analytics

গত চার মাস ধরে ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্র, গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের প্রতিনিধিদের মধ্যে গোপন বৈঠক চলছে, যার লক্ষ্য গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন নিয়ন্ত্রণ ও সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো। নিউইয়র্ক টাইমসের অনুসন্ধানে জানা গেছে, ১৯৫১ সালের প্রতিরক্ষা চুক্তি সংশোধন করে যুক্তরাষ্ট্র সেখানে অনির্দিষ্টকালের জন্য সেনা রাখার অনুমতি চাইছে। পাশাপাশি, বড় বিনিয়োগ চুক্তিতে ভেটো ক্ষমতা ও তেল, ইউরেনিয়াম ও রেয়ার আর্থ খনিজ যৌথভাবে উত্তোলনের প্রস্তাবও আলোচনায় রয়েছে।

গ্রিনল্যান্ডের নেতারা আশঙ্কা করছেন, এসব দাবির ফলে তাদের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ হবে। তারা মনে করছেন, ইরান সংঘাত কমে এলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আবারও গ্রিনল্যান্ডের দিকে মনোযোগ দিতে পারেন। ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড উভয় পক্ষই যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ‘চিরস্থায়ী ধারা’ ও ভেটো ক্ষমতার তীব্র বিরোধিতা করেছে।

পেন্টাগন জানিয়েছে, আর্কটিক অঞ্চলে বরফ গলে নতুন সামরিক রুট উন্মুক্ত হচ্ছে, তাই আলাস্কা, কানাডা ও গ্রিনল্যান্ডে ঘাঁটি সম্প্রসারণ প্রয়োজন। তবে গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনস-ফ্রেডেরিক নিলসেন বলেছেন, পরিবেশগত নিয়ম কঠোর থাকবে এবং ব্যবসা ও সার্বভৌমত্বের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রিনল্যান্ডেরই হওয়া উচিত।

19 May 26 1NOJOR.COM

আর্কটিকে মার্কিন নিয়ন্ত্রণ ও সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র-গ্রিনল্যান্ড-ডেনমার্কের গোপন আলোচনা

নিউজ সোর্স

গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণে নিতে ট্রাম্প প্রশাসনের গোপন বৈঠক | আমার দেশ

আমার দেশ অনলাইন
প্রকাশ : ১৯ মে ২০২৬, ১১: ৫৮আপডেট : ১৯ মে ২০২৬, ১২: ০৭
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের রেশ কাটতে না কাটতেই গ্রিনল্যান্ডের ওপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে নতুন তৎপরতা শুরু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গত চা

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।