Web Analytics

ইরানের হামলায় অন্তত ১৫টি মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক ঘাঁটিগুলোর ভবিষ্যৎ পর্যালোচনা করছে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা, ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি এবং থমকে থাকা আলোচনার মধ্যে এই পুনর্বিবেচনা চলছে। পেন্টাগন কমসংখ্যক সেনা মোতায়েন বা বাহিনীকে পশ্চিম দিকে সরিয়ে নেওয়ার বিষয় ভাবছে, তবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

উপসাগরীয় অঞ্চল ও আশপাশের অন্তত ২০টি ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৫০ হাজার সেনা রয়েছে। প্রধান ঘাঁটিগুলোর মধ্যে কাতারের আল-উদেইদ, বাহরাইনের এনএসএ, কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজান ও ক্যাম্প বুহরিং, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধাফরা এবং সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি আছে। হামলায় আল-উদেইদের রাডার ও আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, বাহরাইনের নৌসদর দপ্তর, গুদাম ও যোগাযোগ অবকাঠামো এবং কুয়েতের বিমান, লজিস্টিকস ও সহায়তা কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন উপস্থিতি কমলে উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি নিয়ে আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং তারা ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করতে পারে। দেশগুলো যৌথ প্রতিরক্ষা জোরদার ও অস্ত্রের উৎস বৈচিত্র্যময় করছে, কিন্তু স্বল্প মেয়াদে তা মার্কিন গোয়েন্দা, লজিস্টিকস, নৌ ও বিমান সক্ষমতার বিকল্প হবে না। বিকল্প হিসেবে পর্যায়ক্রমিক মোতায়েন, আগাম সরঞ্জাম মজুত ও সমন্বিত প্রতিরক্ষা নিয়ে বিকেন্দ্রীভূত প্রবেশাধিকার মডেলের কথা বলা হয়েছে।

01 Sep 26 1NOJOR.COM

ইরানি হামলার পর উপসাগরীয় ঘাঁটি, সেনা মোতায়েন ও নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি পর্যালোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

নিউজ সোর্স

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর ভবিষ্যৎ কী

চার দশকেরও বেশি সময় ধরে মধ্যপ্রাচ্যে, বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোয় মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর লক্ষ্য ছিল হুমকি প্রতিরোধ, আঞ্চলিক মিত্রদের নিরাপত্তা প্রদান এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিজের শক্তির জানান দেওয়া। কিন্তু এসব ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।