Web Analytics

দেশজুড়ে জ্বালানি সংকটের প্রভাবে বাংলাদেশ রেলওয়ের কার্যক্রম বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়েছে। মাসে প্রায় ৫০ লাখ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হলেও সরবরাহ ঘাটতির কারণে বর্তমান মজুত দিয়ে মাত্র ১৮–২২ দিন ট্রেন চালানো সম্ভব। গত ২৮ মার্চ পর্যন্ত রেলওয়ে প্রায় ৪০ লাখ লিটার ডিজেল পেয়েছে। কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, সরবরাহ ব্যাহত হলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই মালবাহী ট্রেন বন্ধ হয়ে যাবে, যা চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের পণ্য পরিবহন ব্যবস্থায় বড় প্রভাব ফেলবে।

রেলওয়ের তথ্যমতে, পূর্বাঞ্চলে মাসে ২২–২৫ লাখ লিটার এবং পশ্চিমাঞ্চলে প্রায় ২৫ লাখ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হয়, যার বড় অংশ ব্যয় হয় মালবাহী ট্রেনে। বন্দর কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, রেল বন্ধ হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বন্দরে কন্টেইনার জট তৈরি হবে, বাড়বে ডেমারেজ খরচ এবং আন্তর্জাতিক শিপিং লাইনগুলো রুট কমাতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বছরে ৬,৬০০–৬,৯০০ কোটি টাকার ডিজেল ব্যয় রেলের অতিনির্ভরতা দেশের লজিস্টিক ব্যবস্থাকে ঝুঁকিতে ফেলেছে।

রেলকে কৌশলগত খাত হিসেবে অগ্রাধিকার দিয়ে তেল সরবরাহ করা হলেও কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন, বর্তমান মজুতের পর পরিস্থিতি অনিশ্চিত। দীর্ঘমেয়াদি সংকট দেখা দিলে খাদ্য, সার ও শিল্পপণ্যের সরবরাহে জাতীয় অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হতে পারে।

04 Apr 26 1NOJOR.COM

ডিজেল সংকটে রেলওয়ে ও বন্দর কার্যক্রমে বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা

নিউজ সোর্স

ডিজেলের সংকটে ঝুঁকিতে রেল, থমকে যেতে পারে বন্দরের কার্যক্রম | আমার দেশ

জমির উদ্দিন, চট্টগ্রাম
প্রকাশ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯: ৫০আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০: ০৫
দেশজুড়ে বাড়তে থাকা জ্বালানি সংকটের প্রভাব এবার রেলওয়ের ওপর সরাসরি পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মাসে প্রায় ৫০ লাখ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হলেও সরবরাহ ঘাটতির কারণে বর্তমান মজুত

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।