Web Analytics

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া ও চীন সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন। এই সফরে ঢাকা-বেইজিং যৌথ ইশতেহার ও একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা প্রবন্ধে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন কূটনৈতিক ধারার পুনর্জাগরণ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এসব চুক্তির মধ্যে রয়েছে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, তিস্তা প্রকল্পে চীনের অংশগ্রহণ, বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ, বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোর এবং এক চীননীতির প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় সমর্থন।

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর এই সফর বাংলাদেশের সার্বভৌম অবস্থান জোরদার ও ভারতের প্রভাব হ্রাসের কৌশলগত পদক্ষেপ। এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চীনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। অতীতে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গৃহীত ‘লুক ইস্ট’ নীতির ধারাবাহিকতায় নতুন সরকার চীনের সহায়তায় আঞ্চলিক সংযোগ পুনরুজ্জীবিত করতে চায়।

প্রবন্ধ অনুযায়ী, চীনের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ আঞ্চলিক বাণিজ্য ও কৌশলগত সহযোগিতায় নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে।

01 Jul 26 1NOJOR.COM

চীন-মালয়েশিয়া সফরে তারেক রহমানের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির নতুন সূচনা

নিউজ সোর্স

স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি : জিয়া থেকে তারেক | আমার দেশ

মেহেদী হাসান
প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৬, ১২: ০৯
বাংলাদেশে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। অনেক ত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে একটি মানচিত্র ও পতাকা পেয়েছিল কিন্তু প্রকৃত স্বাধীনতার দেখা পাননি এদেশের মানুষ। সেজন্য দীর্ঘ অপে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।