Web Analytics

একটি নিবন্ধে বলা হয়েছে, একবিংশ শতাব্দীতে পানি সংকট ও সুপেয় পানির চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অভিন্ন নদী ও জলসম্পদকে ঘিরে রাষ্ট্রীয় স্বার্থ, অর্থনীতি এবং কূটনীতির গুরুত্ব বেড়েছে। একাধিক দেশের সঙ্গে যুক্ত পানির উৎসের নিয়ন্ত্রণ, ব্যবহার ও বণ্টন নিয়ে যে স্বার্থের টানাপোড়েন ও আলোচনা হয়, সেটিকেই পানির রাজনীতি বা হাইড্রোপলিটিকস হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

নিবন্ধে উজান-ভাটির ভৌগোলিক অবস্থান, মিঠাপানির সংকট, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়ণ, কৃষি, শিল্পায়ন, জলবিদ্যুৎ, জলবায়ু পরিবর্তন ও ভূরাজনৈতিক স্বার্থকে প্রধান কারণ বলা হয়েছে। নীল নদ নিয়ে ইথিওপিয়া, মিসর ও সুদানের মতবিরোধ, সিন্ধু নদ নিয়ে ভারত-পাকিস্তান বিরোধ এবং চীনের বাঁধ নিয়ে মেকংয়ের ভাটির দেশগুলোর উদ্বেগের উদাহরণ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ফারাক্কা বাঁধের কারণে গঙ্গার প্রবাহ কমা এবং তিস্তার অমীমাংসিত পানি বণ্টনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। লেখাটি আন্তর্জাতিক নদী আইন প্রয়োগ, আঞ্চলিক ব্যবস্থাপনা, তথ্য বিনিময়, ন্যায্য বণ্টনে কূটনৈতিক চুক্তি, জলাধার, আধুনিক সেচ ও কম পানিনির্ভর ফসল চাষের আহ্বান জানিয়েছে।

16 Oct 26 1NOJOR.COM

অভিন্ন নদীর ন্যায্য পানি বণ্টন ও আঞ্চলিক সহযোগিতার আহ্বান

নিউজ সোর্স

পানির রাজনীতি ও আঞ্চলিক উত্তেজনা

বিংশ শতাব্দীতে পৃথিবীর ভূরাজনীতিতে অন্যতম নিয়ামক ছিল খনিজ তেল বা কালো সোনা। তবে একবিংশ শতাব্দীতে এসে বদলে গেছে এর সমীকরণ। ক্রমেই বাড়ছে পানি সংকট ও সুপেয় পানির চাহিদা। পানি বা পানিসম্পদ বলতে আমরা বুঝি দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অপরিহার্য একটি তরল উপাদান।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।