Web Analytics

তুরস্কের ইউটিউবার ও ভ্রমণ ব্লগার মুহাম্মদ রুহি চেনেট নিউইয়র্কের হাসিদিক ইহুদিদের জীবন নিয়ে একটি প্রামাণ্যধর্মী প্রতিবেদন তুলে ধরেছেন। এতে কঠোর ধর্মীয় অনুশাসন, সীমিত প্রযুক্তি ব্যবহার এবং পৃথক সামাজিক কাঠামোকেন্দ্রিক একটি সম্প্রদায়ের চিত্র উঠে এসেছে। চেনেটের ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে সাক্ষাতে গেলে তাঁকে বারবার জিজ্ঞেস করা হয় তিনি ইহুদি কি না; প্রতিবেদনে এটিকে অ-ইহুদিদের সঙ্গে সীমিত মেলামেশার লক্ষণ হিসেবে দেখানো হয়েছে।

ভিডিওতে বলা হয়, সম্প্রদায়ের সদস্যরা টেলিভিশন ও অবাধ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন না। বিশেষভাবে তৈরি মোবাইল ফোন ও কম্পিউটারে বিভিন্ন ইন্টারনেট সুবিধা সরিয়ে দেওয়া বা ফিল্টার করা হয়, যাতে শুধু অনুমোদিত সেবা ব্যবহার করা যায়। এক সাক্ষাৎকারদাতা ইন্টারনেটকে মানুষের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক বিষয় বলে বর্ণনা করেন এবং জানান, তিনি কখনো টেলিভিশন দেখেননি। প্রতিবেদনে নিজস্ব টহল দল, অ্যাম্বুলেন্স সেবা, ধর্মীয় আদালত ও শালীনতা টহলের কথাও বলা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৩ বছর বয়সে বার মিৎসভার পর ছেলেদের ধর্মীয় শিক্ষায় গুরুত্ব বাড়ে এবং উচ্চবিদ্যালয়ে সাধারণ বিষয়ের চেয়ে ধর্মীয় পাঠ প্রাধান্য পায়। প্রায় এক লাখ সদস্যের এই সম্প্রদায়ে জন্মহার বেশি বলেও ভিডিওতে উল্লেখ করা হয়। সম্প্রদায় ছেড়ে যাওয়া এক নারীর ১০ সন্তান রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বিবাহিত নারীদের মাথার চুল কামিয়ে ঢেকে রাখা এবং বিরোধে পুলিশের আগে রাব্বির সঙ্গে আলোচনা করার রীতির কথাও প্রতিবেদনে এসেছে।

03 Sep 26 1NOJOR.COM

প্রামাণ্যচিত্রে নিউইয়র্কের হাসিদিক ইহুদিদের ধর্মীয় নিয়ম ও পৃথক সামাজিক কাঠামো

নিউজ সোর্স

ইন্টারনেট-টিভি থেকে দূরে, ১০ সন্তানও কম—নিউইয়র্কের হাসিদিক ইহুদিদের অজানা জীবন

আধুনিক বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত শহর নিউইয়র্ক। কিন্তু এই শহরের বুকেই রয়েছে এমন এক সম্প্রদায়, যাদের জীবনযাপন আধুনিকতার চেয়ে বহু শতাব্দী পুরোনো ধর্মীয় রীতি ও বিশ্বাসের সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। এরা হচ্ছেন হাসিদিক ইহুদি—কঠোর ধর্মীয় অনুশাসন, সীমিত প্রযুক্তি

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।