Web Analytics

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকারের অধীনে নতুন সংসদে সহনশীল ও ইতিবাচক রাজনীতির প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু মাত্র দুই মাসের মধ্যেই সংসদে ফিরে এসেছে পুরোনো বিভেদ ও দোষারোপের রাজনীতি। সংসদীয় বিতর্কে দলীয় স্বার্থ প্রাধান্য পাচ্ছে, নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান কর্মঘণ্টা। লেখকের মতে, পুরোনো রাজনীতির ধারা অপরিবর্তিত থেকেছে, বদলেছে শুধু সংসদ সদস্যদের মুখ ও আসনবিন্যাস।

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, স্বাধীনতার পর থেকেই রাজনৈতিক দলগুলো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষ শক্তির বয়ান ব্যবহার করে প্রতিপক্ষকে দুর্বল করার চেষ্টা করেছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক তালিকা প্রকাশ ও বিতর্কের উদাহরণ তুলে ধরে লেখক দেখিয়েছেন, এসব কৌশল জাতিকে ঐক্যের বদলে বিভক্ত করেছে। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও এই বিভাজনমূলক রাজনীতি দেশের উন্নয়ন ও সামাজিক অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে।

লেখক আহ্বান জানিয়েছেন, সব রাজনৈতিক পক্ষকে আত্মঘাতী বিভেদমূলক রাজনীতি পরিহার করে সহনশীলতা ও সহমর্মিতার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে জাতীয় ঐক্য ও টেকসই উন্নয়ন সম্ভব হয়।

09 May 26 1NOJOR.COM

সহনশীল রাজনীতির আশা ভেঙে নতুন সংসদে ফের পুরোনো দলীয় বিভাজন

নিউজ সোর্স

নতুন সংসদে কেন রাজনীতির পুরোনো বিতর্ক? | আমার দেশ

ডা. ওয়াজেদ খান
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ০৮: ৪৩
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকার ও বিরোধীদলীয় রাজনীতি হবে সহনশীল ও ইতিবাচক। আমূল পরিবর্তন আসবে রাষ্ট্রব্যবস্থায়। সংসদ সদস্যদের আদব-লেহাজ হবে সৌহার্দ্যমূলক। রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণী বক্তৃতা বিতর্কে প্রাণ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।