Web Analytics

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ইসলামী ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে অবৈধভাবে আটক, মারধর এবং সাজানো বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় পায়ে গুলি করার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ বুধবার জবানবন্দি দিয়েছেন সাবেক এসআই মমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, ইসরাফিল ও রুহুল আমিনের পায়ে গুলি করার পর চিকিৎসাহীন অবস্থায় সংক্রমণ হলে দুজনেরই একটি করে পা কেটে ফেলতে হয় এবং তারা স্থায়ীভাবে পঙ্গু হন।

তৎকালীন এসপি আনিসুর রহমানসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলায় চতুর্থ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন মমিনুল ইসলাম। তিনি ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত চৌগাছা থানায় কর্মরত ছিলেন বলে জানান। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট কয়েকজন পুলিশ সদস্য দুইজনকে থানায় আনেন। তিনি নাম-ঠিকানা রেজিস্টারে লিখতে চাইলে কর্মকর্তারা তা না করে তাদের হাজতে রাখতে নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, পরে ওসির কক্ষে ওই দুজনকে মারধর করা হয়। পরের রাতে বন্দুলীতলায় বন্দুকযুদ্ধে দুই কনস্টেবল আহত হওয়ার কথা জানানো হলেও তিনি পরে জানতে পারেন, আটক দুইজনের পায়ে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করা হয়েছিল। তার জবানবন্দিতে এসপি, ওসি, কয়েকজন এসআই, এএসআই এবং দুই কনস্টেবলের সরাসরি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে।

17 Sep 26 1NOJOR.COM

সাবেক এসআইয়ের সাক্ষ্যে সাজানো বন্দুকযুদ্ধে দুই শিবির নেতাকে গুলির অভিযোগ

নিউজ সোর্স

ওসি-এসপির ‘বন্দুকযুদ্ধের নাটকে’ পঙ্গুত্ব বরণ করেন দুই শিবির নেতা

যশোর জেলার চৌগাছায় ২০১৬ সালে পুলিশ দুই শিবির নেতাকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তাদের থানা হাজতে আটক রাখে। পরে ওসি ও এসপি ষড়যন্ত্র করে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে দুই শিবির নেতার পায়ে গুলি করে চিকিৎসাহীন অবস্থায় রেখে দেয়। পায়ে পচন ধরলে দুজনেরই এক পা কেটে ফেলতে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।