Web Analytics

বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের ৯ আগস্টের একটি বিবৃতিতে ‘গুপ্ত’ ও ফ্যাসিস্টদের দোসরদের উল্লেখের পর পুলিশ বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, বাহিনীর ভেতরে ও বাইরে ঘাপটি মেরে থাকা এসব ব্যক্তি অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও নামধারী সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছেন। তবে কারা ‘গুপ্ত’, তার কোনো পরিচয় বা তালিকা প্রকাশ করা হয়নি।

কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, অস্পষ্ট এই শব্দটি পদোন্নতি, পদায়ন, সার্ভিস রেকর্ড যাচাই ও বাধ্যতামূলক অবসরের ক্ষেত্রে অনানুষ্ঠানিক ট্যাগ হয়ে উঠতে পারে। কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, অপতথ্য বা দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে তদন্তে তা প্রমাণ করা সম্ভব, কিন্তু এমন অস্পষ্ট পরিচয় ব্যক্তিগত বিরোধ ও অভ্যন্তরীণ গ্রুপিংয়ের সুযোগ তৈরি করতে পারে। তাদের ভাষ্য, রাজনৈতিক পরিচয়কে কেন্দ্র করে বঞ্চনা ও পদোন্নতি আটকে দেওয়ার অভিযোগ আগে থেকেও রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মাসে পুলিশ সদর দপ্তর ডিআইজি পদে পদোন্নতির উপযুক্ত প্রায় ৩৫০ অতিরিক্ত ডিআইজির তালিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। আগস্টের মাঝামাঝি পর্যন্ত ১৯৯ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো, ১৪২ জনকে ওএসডি বা বিভিন্ন ইউনিটে সংযুক্ত এবং পলায়নের অভিযোগে ৯৩ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত লে. কর্নেল দিদারুল আলম বলেন, রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত বিভাজন জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

19 Sep 26 1NOJOR.COM

‘গুপ্ত’ ট্যাগ ঘিরে বাংলাদেশ পুলিশে পদোন্নতি ও বঞ্চনার আশঙ্কা

নিউজ সোর্স

এবার পুলিশেও ‘গুপ্ত’, বাহিনীতে অস্বস্তি

‘গুপ্ত’ শব্দটি ঘিরেই এখন পুলিশের বিভিন্ন স্তরে চলছে তুমুল আলোচনা। বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএসএ) গত ৯ আগস্টে দেওয়া বিবৃতিতে পুলিশ বাহিনীর ভেতরে ও বাইরে ঘাপটি মেরে থাকা ‘গুপ্ত ও ফ্যাসিস্টদের দোসরদের’ বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়। সংগঠনটির

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।