Web Analytics

স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ম্যাচে এফসি আন্দোরার গোলকিপার হেসুস ওনোর সঙ্গে সংঘর্ষের পর টেনেরিফের ৩০ বছর বয়সি ফরোয়ার্ড হেসুস দে মিগেলের মৃত্যু হয়েছে। ২ নভেম্বর ম্যাচের যোগ করা সময়ে স্কোর ২-২ থাকা অবস্থায় তিনি বলের পেছনে ছুটছিলেন। গোলপোস্ট ছেড়ে সামনে আসা ওনো বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে উঁচু হাঁটু দিয়ে দে মিগেলের বুকে আঘাত করেন। তিনি সঙ্গে সঙ্গে মাঠে লুটিয়ে পড়েন।

দুই দলের খেলোয়াড় দ্রুত চিকিৎসার সংকেত দেন এবং মাঠে পাঁচ মিনিটের বেশি সময় চিকিৎসা চলে। অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়ার সময় তার হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যায়, তবে চিকিৎসকদের পুনরুজ্জীবন প্রচেষ্টায় হৃৎস্পন্দন ফিরে আসে। জ্ঞান না ফেরায় তাকে সান্তা ক্রুসের একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়। মঙ্গলবার সকাল ৮টায় তিনি মারা যান। তার স্ত্রী ও একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

রেফারি ওনোকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান এবং ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয়। পুলিশ সম্ভাব্য অনিচ্ছাকৃত হত্যার বিষয়টি সামনে রেখে বিচারিক তদন্ত শুরু করেছে। ভিডিও ও রেফারির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে চ্যালেঞ্জটি স্বাভাবিক ফুটবলীয় সীমা ছাড়িয়েছিল কি না দেখা হবে। স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন ম্যাচ স্থগিত করেছে এবং উয়েফা এক মিনিট নীরবতা পালনের ঘোষণা দিয়েছে।

05 Nov 26 1NOJOR.COM

আন্দোরার গোলকিপারের সঙ্গে সংঘর্ষের পর টেনেরিফে ফরোয়ার্ড হেসুস দে মিগেলের মৃত্যু

নিউজ সোর্স

একটি সংঘর্ষ, লাল কার্ড ও চিরবিদায়

মাঠে প্রতিপক্ষকে থামাতে গিয়েছিলেন গোলকিপার। আর তাতেই সংঘর্ষ এবং অবশ্যই রেফারির লাল কার্ড। কিন্তু এর পরের যে গল্পÑসেটা বেদনাদায়ক! সে সংঘর্ষের পর হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে জীবনের লাল কার্ড দেখে ফেললেন প্রতিপক্ষ দলের ফরোয়ার্ড। স্পেনের দ্বিতীয় বিভ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।