Web Analytics

ইউক্রেনে ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর রাশিয়া কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে, কিন্তু এর বিনিময়ে সামরিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত চাপ বেড়েছে। ২০২৬ সালের নভেম্বরের শুরুতে যুদ্ধ চার বছরের বেশি সময় ধরে চললেও কিয়েভে দ্রুত প্রভাব প্রতিষ্ঠা এবং ইউক্রেনকে ন্যাটোর বাইরে রাখার মস্কোর প্রাথমিক লক্ষ্য পূরণ হয়নি।

সিএসআইএসের জুলাই ২০২৬-এর গবেষণা অনুযায়ী, রাশিয়া ইউক্রেনের প্রায় ২০ শতাংশ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করছে; এর মধ্যে ২০২২ সালের আগের ক্রিমিয়া ও দনবাসের অংশও রয়েছে। যুদ্ধের পর নতুন দখল করা এলাকা ইউক্রেনের মোট আয়তনের প্রায় ১২ শতাংশ। রাশিয়া সামরিক উৎপাদন বাড়িয়েছে এবং জ্বালানি রপ্তানি, এশীয় বাণিজ্য ও বিকল্প আর্থিক লেনদেনে অর্থনীতি সচল রেখেছে। তবে একই গবেষণায় ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত রুশ হতাহতের সংখ্যা আনুমানিক ১৪ লাখ বলা হয়েছে।

যুদ্ধের ফলে ফিনল্যান্ড ও সুইডেন ন্যাটোতে যোগ দিয়েছে, ইউরোপ রুশ জ্বালানিনির্ভরতা কমিয়েছে এবং চীনের ওপর মস্কোর নির্ভরতা বেড়েছে। আইএসডব্লিউর হিসাবে, অক্টোবর ২০২৬-এ রুশ বাহিনীর নিট ভূখণ্ডগত ক্ষতি ছিল প্রায় ২৭ দশমিক ২৯ বর্গকিলোমিটার।

04 Nov 26 1NOJOR.COM

ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণে রাখলেও যুদ্ধে রাশিয়ার সামরিক ও কৌশলগত ক্ষতি বাড়ছে

নিউজ সোর্স

ইউক্রেন যুদ্ধে পুতিন কী পাচ্ছেন, রাশিয়া কী হারাচ্ছে

ইউক্রেন যুদ্ধ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জন্য একই সঙ্গে অর্জন ও ক্ষতির এক জটিল সমীকরণ। ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর সময় মস্কোর প্রত্যাশা ছিল দ্রুত সামরিক সাফল্য অর্জন, কিয়েভের ওপর প্রভাব প্রতিষ্ঠা এবং

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।