Web Analytics

সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীর ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে গ্যাসমুক্ত সনদধারী একটি জাহাজের ব্যালাস্ট ট্যাংকে বিষাক্ত গ্যাস কীভাবে জমল, তা তদন্ত করছে সংশ্লিষ্টরা। ১৪ আগস্ট ৩ নম্বর ব্যালাস্ট ট্যাংকে ফ্লেম কাটিং শুরু হলে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে এবং সনদপ্রাপ্ত সেফটি ইনচার্জসহ ১০ শ্রমিক মারা যান। প্রায় ১০ মাসের কাটিংকাজে জাহাজের বড় অংশ ও ৪ নম্বর ট্যাংকের কাজ নিরাপদে শেষ হয়েছিল।

সরকারি তদন্ত কমিটিগুলো দুর্ঘটনাকবলিত ট্যাংক থেকে তরল, বাতাস ও রাসায়নিক উপাদানের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার পরীক্ষাগারে পাঠিয়েছে। তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরীক্ষাগারের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত গ্যাসের উৎস নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। আবদ্ধ পানির পচনে হাইড্রোজেন সালফাইডের মতো গ্যাস তৈরি হয়েছিল কি না, অথবা কাটিংয়ের তাপে অন্য কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিষাক্ত গ্যাস সৃষ্টি হয়েছিল কি না, তা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

জাহাজটি দুবাই থেকে কেনার সময় মূল মালিকপক্ষের গ্যাসমুক্ততার সনদ নেওয়া হয়েছিল এবং দেশে আনার পর বিস্ফোরক ও পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শন ও অনুমোদনও নেওয়া হয়। তদন্তে কাটিংয়ের আগে গ্যাস পরীক্ষা, পর্যাপ্ত ভেন্টিলেশন এবং নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ হয়েছিল কি না দেখা হচ্ছে। সাবেক শিল্প প্রতিনিধিরা বৈজ্ঞানিক তদন্ত ও শ্রমিক নিরাপত্তায় আপস না করার দাবি জানিয়েছেন।

21 Aug 26 1NOJOR.COM

সীতাকুণ্ডে ১০ শ্রমিকের মৃত্যুর পর বিষাক্ত গ্যাসের উৎস খুঁজছে তদন্ত

নিউজ সোর্স

ক্লিন সার্টিফিকেটের জাহাজে বিষাক্ত গ্যাস এলো কীভাবে | আমার দেশ

জহিরুল ইসলাম, সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম)
প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০২৬, ১৬: ৫৩আপডেট : ২১ আগস্ট ২০২৬, ১৬: ৫৪
ক্লিন সার্টিফিকেট ছিল, ছিল আন্তর্জাতিক মানের সনদ। বাংলাদেশে আনার পর বিস্ফোরক অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের ছাড়পত্রও নেওয়া হয়েছিল। প

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।