Web Analytics

নতুন আইপিও বিধিমালা কার্যকর হলেও বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তির সম্ভাবনা আপাতত নেই। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রায় দুই বছর ধরে চলমান আইপিও খরা আরও এক বছর স্থায়ী হতে পারে। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, আইপিও আবেদনের জন্য ১২০ দিনের বেশি পুরোনো নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন গ্রহণযোগ্য নয় এবং অর্ধবার্ষিক বা প্রান্তিক প্রতিবেদন দিয়ে আবেদন করা যাবে না। ফলে ৩০ জুনে হিসাব বছর শেষ হওয়া কোম্পানিগুলোরই আবেদন করার সুযোগ থাকলেও অনুমোদন পেতে এক থেকে দুই বছর সময় লাগতে পারে।

ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক দুরবস্থা এবং বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর অনাগ্রহের কারণে নতুন তালিকাভুক্তির সম্ভাবনা কম। সরকারি মালিকানাধীন বহুজাতিক কোম্পানির শেয়ার ছাড়ার নির্দেশনা কার্যকর না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, এ অবস্থায় ২০২৬ সালেও নতুন কোনো কোম্পানি তালিকাভুক্ত না হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নতুন বিধিমালা ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে। এতে স্টক এক্সচেঞ্জের সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করা হলেও দ্রুত অনুমোদনের পরও চলতি বছরে নতুন তালিকাভুক্তির সম্ভাবনা খুবই কম।

29 Mar 26 1NOJOR.COM

নতুন বিধিমালা সত্ত্বেও বাংলাদেশে আইপিও খরা অব্যাহত থাকার আশঙ্কা

নিউজ সোর্স

নতুন বিধিমালা কার্যকর হলেও এখনই কাটছে না আইপিও খরা | আমার দেশ

কাওসার আলম
প্রকাশ : ২৯ মার্চ ২০২৬, ১০: ১৩
নতুন বিধিমালা কার্যকর হলেও সহসাই পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। ফলে দীর্ঘ প্রায় দুই বছর ধরে শেয়ারবাজারে চলমান আইপিও খরা আরো প্রলম্বিত হতে যাচ্ছে। প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও)

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।