Web Analytics

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় আলুর বাজারে অস্বাভাবিক দরপতনের কারণে কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারমূল্য অনেক কমে যাওয়ায় অনেকেই আলু বিক্রি না করে ফেলে দিচ্ছেন। প্রতি কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত লোকসান গুনতে হচ্ছে। সংরক্ষণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় এবং আবহাওয়া আর্দ্র থাকায় আলু দ্রুত পচে যাচ্ছে।

গজঘণ্টা ইউনিয়নের ছালাপাক এলাকায় কৃষক তহিজার রহমান প্রায় ৪০০ বস্তা আলু উৎপাদন করেও বিক্রি করতে পারেননি। একই এলাকার শেফালী বেগম ও আব্দুল কাদের জানান, হিমাগারে জায়গা না থাকায় তারা বাড়িতে আলু রাখছেন, কিন্তু গরম ও বৃষ্টির কারণে তা নষ্ট হচ্ছে। উপজেলার একমাত্র হিমাগারের ধারণক্ষমতা প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার বস্তা, যা ইতোমধ্যে পূর্ণ।

উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, চলতি মৌসুমে ৫ হাজার ৩১০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে, উৎপাদন হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ২০৭ টন। স্থানীয় চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি হওয়ায় বাজারে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে। কৃষকরা ন্যায্যমূল্য, হিমাগার বৃদ্ধি ও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রণোদনা দাবি করেছেন।

10 May 26 1NOJOR.COM

দরপতন ও সংরক্ষণ সংকটে গঙ্গাচড়ায় কৃষকদের আলু ফেলে দেওয়া

নিউজ সোর্স

দাম কম, আলু ফেলে দিচ্ছেন গঙ্গাচড়ার কৃষক | আমার দেশ

রিয়াদুন্নবী রিয়াদ, গঙ্গাচড়া (রংপুর)
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ১৩: ০৩আপডেট : ১০ মে ২০২৬, ১৩: ২০
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় আলুর বাজারে অস্বাভাবিক দরপতনের কারণে চাষিদের মধ্যে গভীর হতাশা দেখা দিয়েছে। উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারমূল্য অনেক কমে যাওয়ায় অনেক কৃষক

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।