Web Analytics

বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, যার কোনো উন্নতির লক্ষণ নেই। রাজধানীসহ সারাদেশে অনেক পেট্রোল পাম্প দিনের বেশিরভাগ সময় বন্ধ থাকায় যানবাহন চলাচল কমে গেছে। সরকার জানিয়েছে, তাদের হাতে ১ লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ টন তেল মজুত রয়েছে এবং আরও দেড় লাখ টন আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জ্বালানি বিভাগ দাবি করছে, সরবরাহ স্বাভাবিক এবং গত বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি তেল আমদানি করা হচ্ছে।

সরকার সংকটের জন্য অবৈধ মজুতদারি, কালোবাজারি ও আতঙ্কে অতিরিক্ত কেনাকাটাকে দায়ী করছে। এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৫৫৯টি অভিযানে প্রায় ২ লাখ ৯৬ হাজার লিটার তেল উদ্ধার করা হয়েছে এবং জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে পেট্রোল পাম্প মালিকরা বলছেন, তারা চাহিদার অর্ধেকেরও কম তেল পাচ্ছেন এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

সংকট নিরসনে সরকার জরুরি ভিত্তিতে ২ লাখ ৬০ হাজার টন তেল কেনার অনুমোদন দিয়েছে এবং রাশিয়া থেকে ৬ লাখ টন তেল আমদানির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি চেয়েছে। সরকার ভর্তুকি দিয়ে তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

01 Apr 26 1NOJOR.COM

জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশ, সরকার নতুন আমদানির অনুমোদন দিয়েছে

নিউজ সোর্স

তীব্র জ্বালানি সংকটে দেশ, মন্ত্রীরা বলছেন সমস্যা নেই | আমার দেশ

দেড় লাখ টন আমদানি প্রস্তাব
এম এ নোমান
প্রকাশ : ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯: ১১
জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট পরিস্থিতি উন্নতির কোনো লক্ষণ নেই। তেলচালিত যানবাহন নিয়ে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন মালিক ও চালকরা। অনেকে জরুরি প্রয়োজনেও গাড়ি বের করতে পারছেন না। আবার তেলের আশ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।