Web Analytics

একজন বাংলাদেশি কলামিস্ট লিখেছেন, সেনাবাহিনী রাষ্ট্রের শক্তি হলেও তা বেসামরিক প্রশাসনের বিকল্প হওয়া উচিত নয়। দুর্যোগ, জরুরি অবস্থা ও জাতীয় সংকটে সেনাবাহিনীর সহায়তাকে গুরুত্বপূর্ণ বললেও তিনি মনে করেন, নিয়মিত প্রশাসনিক দায়িত্ব ক্রমাগত সামরিক বাহিনীর ওপর দিলে দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। লেখাটিতে বাংলাদেশে বেসামরিক আমলাতন্ত্র ও সামুদ্রিক প্রতিষ্ঠানে ক্রমবর্ধমান সামরিকীকরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

লেখক গোলাম সোহরাওয়ার্দীর ২ নভেম্বর প্রকাশিত দক্ষিণ এশিয়ায় সরকারি চাকরির সামরিকীকরণবিষয়ক গবেষণাধর্মী কলামের উল্লেখ করেছেন। তিনি মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির নেতৃত্ব কাঠামো নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এবং দাবি করেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য পদে নৌবাহিনীর বাইরে থেকে নিয়োগের নজির নেই। একই সঙ্গে মার্চেন্ট মেরিন পেশাজীবীদের ‘নৌকার মাঝি’ হিসেবে খাটো করার মন্তব্যের সমালোচনা করে তাদের কারিগরি প্রশিক্ষণ, দায়িত্ব ও উচ্চশিক্ষার কথা তুলে ধরা হয়েছে।

কলামটিতে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তিকে নিঃশর্ত ঐতিহাসিক বিজয় হিসেবে দেখার বিরোধিতা করা হয়েছে। লেখকের মতে, এটি ছিল সালিশি প্রক্রিয়া, যেখানে সব পক্ষই কিছু পেয়েছে ও কিছু ছেড়েছে। ইইজেড, দূরবর্তী কন্টিনেন্টাল শেলফ ও ‘গ্রে এরিয়া’ নিয়ে ভবিষ্যৎ কৌশলগত জটিলতার আশঙ্কার কথাও বলা হয়েছে।

28 Aug 26 1NOJOR.COM

বেসামরিক প্রশাসন ও সামুদ্রিক প্রতিষ্ঠানে সামরিক প্রভাব নিয়ে কলামিস্টের প্রশ্ন

নিউজ সোর্স

সেনাবাহিনী রাষ্ট্রের শক্তি, প্রশাসনের বিকল্প নয়

একটি দেশের সেনাবাহিনী সেই দেশের জনগণের কাছে চোখের কাজলের মতোই প্রিয়। কিন্তু সেই কাজলকে চোখের চৌহদ্দির মধ্যেই রাখতে হয়। চোখ থেকে সামান্য দূরে গালে লাগলেই সেই কাজল আর কাজল থাকে না, কালি হয়ে পড়ে।
উন্নত বিশ্বের দেশগুলো তাদের এই কাজলটিকে নয়নের মধ্যেই রাখে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।