Web Analytics

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক ৫ আগস্ট ২০২৪-এর শাহবাগমুখী আন্দোলনের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। তাঁর বর্ণনায়, সকাল সাড়ে আটটার দিকে শহীদ মিনারে যাওয়ার পথে এলাকাটি অবরুদ্ধ ছিল এবং আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেট ও ছররা গুলি ব্যবহার করা হচ্ছিল। টিএসসির কাছে তাঁকে আটকের চেষ্টা হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কয়েকজন সদস্যের সহায়তায় তিনি পলাশী বাজারের দিকে যান।

পলাশীতে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ছোট ছোট দলে জড়ো হন বলে লেখক জানান। পলাশী মোড়ে তারা শাহবাগে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং পথে নফল নামাজ আদায় করেন। তাঁর স্মৃতিতে, সেনাবাহিনীর একটি টহল দল তাদের আড়াইটা পর্যন্ত অপেক্ষার পরামর্শ দিলেও তারা ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে এগিয়ে যান। রাজু ভাস্কর্যের কাছে অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে কয়েকজন শিক্ষক আন্দোলনের সমর্থনে অবস্থান করছিলেন।

চারুকলা ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের কাছাকাছি আরেকটি সেনা টহলের মুখে মিছিলের বড় অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। লেখকের ভাষ্য অনুযায়ী, আট-দশজন শেষ পর্যন্ত শাহবাগ থানার সামনে পৌঁছে আনুমানিক সকাল সাড়ে এগারটায় শাহবাগে অবস্থান নেন। পরে দ্রুত মানুষ জমায়েত হয়। তিনি এই ঘটনাকে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও নামহীন মানুষের সম্মিলিত সাহসের প্রকাশ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

04 Aug 26 1NOJOR.COM

৫ আগস্ট ২০২৪-এ শাহবাগমুখী আন্দোলনের ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ

নিউজ সোর্স

৫ আগস্ট: শাহবাগের পথে, একটি জাতির মুক্তির সকাল | আমার দেশ

মো. তরিকুল ইসলাম তারিক
প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২৬, ১৩: ২৪আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০২৬, ১৩: ৪৬
কোন কোন দিন ইতিহাসের পাতায় শুধু একটি তারিখ হয়ে থাকে না; একটি জাতির আত্মপরিচয় হয়ে ওঠে। ৫ আগস্ট, ২০২৪ তেমনই একটি দিন। এমন একটি সকাল, যার প্রতিটি মিনিট আজও জীবন্ত। চো

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।