Web Analytics

গত আগস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার ৬৫০০ কোটি ব্যারেলের বেশি প্রমাণিত তেলসম্পদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সংখ্যাগরিষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার একটি চুক্তি ঘোষণা করেন। ২০২৬ সালের শুরুতে কারাকাসে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর অভিযানে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো আটক হওয়ার পর পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আসে। পরে ডেলসি রদ্রিগেজ ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হন এবং তাঁর সরকার ওয়াশিংটনের সঙ্গে সহযোগিতার পথ বেছে নেয়।

হোয়াইট হাউস চুক্তিটিকে বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় তেল চুক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি আগামী এক শতকের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি আধিপত্য নিশ্চিত করবে। মার্কিন প্রশাসন বলছে, চুক্তিটি ভেনেজুয়েলার অর্থনীতি পুনর্গঠন, তেল উৎপাদন বাড়ানো এবং গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের পথ তৈরির উদ্যোগ। ওয়াশিংটন চীন ও রাশিয়ার প্রভাব কমিয়ে ভেনেজুয়েলার তেল খাতে মার্কিন প্রভাব পুনঃপ্রতিষ্ঠাও করতে চায়।

তবে ভেনেজুয়েলায় চুক্তিটি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অর্থনীতিবিদ ফ্রান্সিসকো রদ্রিগেজ একে শোষণমূলক আখ্যা দিয়ে বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এটি সমান অবস্থান থেকে করা চুক্তি নয়। বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো বলেন, দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার ভেনেজুয়েলার জনগণের, কোনো অনির্বাচিত সরকারের নয়। তেল দীর্ঘদিন ধরেই দুই দেশের সহযোগিতা, জাতীয়করণ, নিষেধাজ্ঞা ও বিরোধের কেন্দ্রবিন্দু।

04 Sep 26 1NOJOR.COM

ভেনেজুয়েলার ৬৫০০ কোটি ব্যারেলের বেশি তেলে সংখ্যাগরিষ্ঠ নিয়ন্ত্রণের চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের

নিউজ সোর্স

ভেনেজুয়েলার তেলে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা যুক্তরাষ্ট্রের

তেলই গত এক শতাব্দী ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার সম্পর্কের অন্যতম প্রধান নিয়ামক। সহযোগিতা থেকে বিরোধ, জাতীয়করণ থেকে নিষেধাজ্ঞা—দুই দেশের সম্পর্কের প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁকে তেলের স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে। সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার বিপুল তেলসম্পদের ওপর

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।