Web Analytics

২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে আগ্রাসন শুরু করে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানকে ‘ভালো-মন্দের লড়াই’ হিসেবে উপস্থাপন করে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করেন, তবে মার্কিন জনগণ একে অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ হিসেবে দেখছে। এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের ইভানজেলিক খ্রিষ্টধর্মীয় নেতারা আগ্রাসনকে ধর্মযুদ্ধ হিসেবে প্রচার চালাচ্ছেন, যাতে ধর্মীয় সমর্থন পাওয়া যায়।

মঙ্গলবার দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও সেনা মৃত্যুর ঘটনায় ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা হ্রাস পেয়েছে। তবুও তিনি যুদ্ধকে ধর্মীয় তাৎপর্যের সঙ্গে যুক্ত করে প্রচার চালাচ্ছেন। সম্প্রতি এক বৈমানিক উদ্ধারের ঘটনাকে তিনি ‘ইস্টারের অলৌকিক ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং আগ্রাসনে ঈশ্বরের আশীর্বাদ রয়েছে বলে দাবি করেছেন।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ও ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ ধর্মযাজক রবার্ট জেফরিসসহ রক্ষণশীল ইভানজেলিক নেতারা বাইবেলের উদ্ধৃতি দিয়ে ইরান আগ্রাসনকে যৌক্তিক প্রমাণের চেষ্টা করছেন। তাদের মতে, যিশু খ্রিষ্টের পুনরাগমনের জন্য আধুনিক ইসরাইল রাষ্ট্রের অস্তিত্ব অপরিহার্য।

10 Apr 26 1NOJOR.COM

ইরান আগ্রাসনকে ধর্মযুদ্ধ হিসেবে উপস্থাপনে ইভানজেলিক নেতাদের প্রচার

নিউজ সোর্স

ইরানে আগ্রাসনকে ধর্মযুদ্ধে রূপান্তরে ইভানজেলিকদের প্রচার | আমার দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১১: ০৬আপডেট : ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১১: ২৮
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যৌথভাবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে আগ্রাসন শুরু করে। এই আগ্রাসনকে খ্রিষ্টীয় বয়ানে ‘ভালো-মন্দের’ লড়াই হিসেবে বর্ণনা করে সমর্থন টানার চেষ্টা করেছিলেন যুক্তর

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।