Web Analytics

বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে অন্তর্বর্তী সরকারের শুরু করা সংস্কার কার্যক্রম বর্তমান সরকারও চালিয়ে যাচ্ছে, তবে খেলাপি ঋণ, মূলধন ঘাটতি, প্রভিশন ঘাটতি ও তারল্য সংকট এখনো গুরুতর। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দায়িত্ব নেওয়ার সময় খাতটি তীব্র সংকটে ছিল। এরপর বাংলাদেশ ব্যাংক তদন্ত, নীতিমালা, পর্ষদ পুনর্গঠন, আইনি সংস্কার এবং দুর্বল পাঁচ ইসলামী ব্যাংক একীভূত বা অবসানের উদ্যোগ নেয়।

গত দুই বছরে মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২৫ বিলিয়ন ডলার থেকে গত জুলাই শেষে ৩৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। ২০২৫ সালের ১৪ মে বাজারভিত্তিক বিনিময় ব্যবস্থা চালুর পর ডলার বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেমিট্যান্স ৩৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়, যা আগের বছরের তুলনায় ১৭ দশমিক ৩০ শতাংশ বেশি। আমানত প্রবৃদ্ধি সাড়ে ১১ শতাংশে উঠলেও দুর্বল ব্যাংকগুলো তারল্য চাপ সামলাতে এখনো ঋণ নিচ্ছে।

চলতি বছরের মার্চ শেষে খেলাপি ঋণ বেড়ে পাঁচ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা এবং প্রভিশন ঘাটতি দুই লাখ ৫ হাজার ৬৬৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। গত বছর ব্যাংক খাতের মূলধন পর্যাপ্ততার হার ঋণাত্মক ২ দশমিক ৬৪ শতাংশে নেমেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, খেলাপি ঋণ আদায়, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত, মূলধন ঘাটতি পূরণ ও দুর্বল ব্যাংক পুনর্গঠন ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি সংকট কাটবে না।

06 Aug 26 1NOJOR.COM

সংস্কার ও রিজার্ভ বৃদ্ধির পরও খেলাপি ঋণ, মূলধন ও তারল্য সংকটে ব্যাংক খাত

নিউজ সোর্স

সংস্কার চলছে, সংকট কাটেনি ব্যাংক খাতে | আমার দেশ

রোহান রাজিব
প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০২৬, ১০: ০৫
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে ব্যাংক খাত জিম্মি ছিল কয়েকটি শিল্পগোষ্ঠীর হাতে। আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ দুই বছর এসব শিল্পগোষ্ঠীর ব্যাংকগুলো থেকে অর্থ লুটপাটের তীব্রতা আরো বেড়ে যায়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।