Web Analytics

ইসরাইল-লেবানন সীমান্তে হেজবুল্লাহর কার্যক্রমে প্রথম ইরানি ড্রোনের উপস্থিতি ধরা পড়ে, তবে ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইরানের ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহারের পর বিশ্বজুড়ে তা আলোচনায় আসে। ১৯৭৯ সালের পর থেকে দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ইরান নিজস্ব প্রযুক্তিতে ড্রোন তৈরি করে, যা ২০২৬ সালের মধ্যে ইসরায়েল পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম উন্নত অস্ত্রে পরিণত হয়।

ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় বিদেশি প্রকৌশলীদের দেশত্যাগ ও প্রযুক্তিগত বিচ্ছিন্নতার পর ইসফাহান বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ প্রকৌশলীরা ছোট রিমোট নিয়ন্ত্রিত ড্রোন তৈরি শুরু করেন। পরে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এই প্রকল্পের দায়িত্ব নেয় এবং যুদ্ধক্ষেত্রে নজরদারি ও আক্রমণ উভয় উদ্দেশ্যে ড্রোন ব্যবহার শুরু করে। ১৯৮৮ সালের মধ্যেই ইরান সশস্ত্র ড্রোন ব্যবহারে অগ্রগামী দেশগুলোর একটি হয়ে ওঠে।

ইরানের কৌশল ছিল কম খরচে বিপুল সংখ্যক ড্রোন ব্যবহার করে প্রতিপক্ষের ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল করা। ২০১৯ সালের আরামকো তেল স্থাপনায় হামলায় এই কৌশলের কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়, যেখানে অল্প খরচে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। এই সাফল্য আধুনিক যুদ্ধের অর্থনীতি ও শক্তির ভারসাম্যে নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে।

22 Apr 26 1NOJOR.COM

ইরানের স্বল্পমূল্যের ড্রোন কৌশল বিশ্ব সামরিক ও অর্থনৈতিক ভারসাম্য বদলে দিয়েছে

নিউজ সোর্স

ইরানের ড্রোন কীভাবে বিশ্বে ক্ষমতার ধারণা বদলে দিয়েছে | আমার দেশ

বিবিসি বাংলা
প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮: ৩২
কয়েক বছর আগে ইসরাইল-লেবানন সীমান্তে হেজবুল্লাহর তৎপরতা সম্পর্কিত সামরিক প্রতিবেদনে প্রথম ইরানের ড্রোনের বিষয়টি সামনে আসে। পরবর্তীতে সামরিক বিশেষজ্ঞরা ইয়েমেনে হুথিদের ব্যবহৃত ড্রোনগুলোর উৎস খুজতে গিয়ে তার স

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।