Web Analytics

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার এক সময়ের খরস্রোতা নদ-নদী চরম নাব্য সংকট, পলি ভরাট ও অবৈধ দখলের কারণে অস্তিত্ব হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিন খনন না হওয়া এবং অপরিকল্পিত ভরাটে নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। শুকনো মৌসুমে বিস্তীর্ণ চর জেগে ওঠায় স্থানীয় নৌপথ, কৃষি ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে।

কাগজে-কলমে জেলায় ১৭টি নদ-নদী থাকলেও বর্তমানে দৃশ্যমান মাত্র ১০টি। শিরুয়াইল, নীলখী, বাঁশকান্দি, পাচ্চর ও পৌর এলাকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে এই সংকট দেখা যাচ্ছে। শিরুয়াইল থেকে নীলখী হয়ে প্রবাহিত আড়িয়াল খাঁ নদের একটি অংশ স্থানীয়ভাবে ‘মরা আড়িয়াল খাঁ’ নামে পরিচিত। পলি জমে শুকনো মৌসুমে নদীটির বড় অংশ শুকিয়ে ফসলি জমিতে পরিণত হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা রানা হামিদ।

শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম ইবনে মিজান বলেন, নদী ও খাল রক্ষার পরিকল্পনা রয়েছে, তবে বিআরএস নকশা ও পর্চা অনুযায়ী সঠিক চিত্র পাওয়া যাচ্ছে না। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের পর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী আবু সাদত মো. হাসান কবির বলেন, দখল ও নাব্যতা সংকটে ময়নাকাটার অনেক স্থানে পানিপ্রবাহ বন্ধের পথে, তবে বর্তমানে খনন বা পুনরুদ্ধার প্রকল্প নেই।

29 Oct 26 1NOJOR.COM

পলি ও দখলে শিবচরের আড়িয়াল খাঁ ও ময়নাকাটা নদীর পানিপ্রবাহ সংকটে

নিউজ সোর্স

অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার এক সময়ের খরস্রোতা নদ-নদীগুলো আজ চরম নাব্য সংকট, পলি ভরাট ও অবৈধ দখলের কারণে অস্তিত্বের ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিন খনন না হওয়া এবং অপরিকল্পিত ভরাটের ফলে নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ হারিয়ে যাচ্ছে। শুকনো মৌসুমে জেগে উঠছে বিস্তীর্ণ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।