Web Analytics

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির তৎকালীন সহসভাপতি জামাল উদ্দিন ২০০৩ সালের ২৪ জুলাই রাতে চকবাজারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে বাসায় ফেরার পথে নিখোঁজ হন। অপহরণকারীদের সঙ্গে দরকষাকষির পর পরিবার ২৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিলেও তিনি মুক্তি পাননি। ২০০৫ সালের ২৪ আগস্ট ফটিকছড়ির কাঞ্চননগরের পাহাড়ি এলাকা থেকে র‍্যাব একটি কঙ্কাল উদ্ধার করে; সিঙ্গাপুরের ডিএনএ প্রতিবেদনে সেটি জামাল উদ্দিনের বলে নিশ্চিত হয়।

পুলিশ ও সিআইডির তদন্তের পর ১৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয় এবং ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ১৪ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। আদালত সূত্র অনুযায়ী, ৮৪ সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনজন সাক্ষ্য দিয়েছেন এবং সাক্ষী হাজির না হওয়ায় শুনানি বারবার পিছিয়েছে। ১০ আসামি জামিনে, একজন কারাগারে এবং তিনজন পলাতক রয়েছেন। নিহতের পরিবার নতুন করে অধিকতর তদন্তের জন্য আদালতে আবেদন করার কথা ভাবছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আদালতে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি।

24 Jul 26 1NOJOR.COM

জামাল উদ্দিন হত্যা মামলায় ৮৪ সাক্ষীর মধ্যে সাক্ষ্য দিয়েছেন মাত্র তিনজন

নিউজ সোর্স

২৫ লাখ টাকা মুক্তিপণের পরও বিএনপি নেতা জামাল ফিরেছিলেন কঙ্কাল হয়ে | আমার দেশ

জমির উদ্দিন, চট্টগ্রাম
প্রকাশ : ২৪ জুলাই ২০২৬, ১৩: ০৩আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২৬, ১৩: ০৫
চকবাজারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে বাসার দিকে রওনা দিয়েছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির তৎকালীন সহসভাপতি জামাল উদ্দিন। তবে ২০০৩ সালের ২৪ জুলাই রাতে তার আর বাসায় ফেরা

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।