Web Analytics

একটি রাজনৈতিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সাংবিধানিক সংস্কার নিয়ে চলমান বিরোধ রাজপথের সংঘাত নয়, সংলাপ ও জাতীয় ঐকমত্যের মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। লেখাটি ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান, জুলাই সনদ এবং সনদের প্রস্তাব বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের প্রেক্ষাপটে এ আহ্বান জানায়। এতে বলা হয়, বিএনপি সংবিধান সংশোধনের পক্ষে থাকলেও সনদ প্রক্রিয়ায় যেসব বিষয়ে তাদের নোট অব ডিসেন্ট ছিল, সেগুলোতে তারা নৈতিকভাবে বাধ্য নয় বলে দাবি করতে পারে।

লেখকের মতে, জুলাই সনদে ঐকমত্য অসম্পূর্ণ ছিল, কারণ বিএনপির ভিন্নমতগুলোর নিষ্পত্তি হয়নি এবং বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াও স্পষ্ট করা হয়নি। বিশ্লেষণটিতে সংশোধন ও নতুন করে সংবিধান রচনার পার্থক্য তুলে ধরে বলা হয়েছে, সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার পাশাপাশি জনসম্মতি ও বৈধতাও জরুরি। বিএনপির প্রস্তাবের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, ক্ষমতার ভারসাম্য, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং উচ্চকক্ষ গঠনের বিষয় রয়েছে।

লেখাটি বলছে, মূল বিরোধ নীতিগত নয়; উচ্চকক্ষ নির্বাচনের পদ্ধতিসহ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দলগুলোর জন্য রাখা পাঁচটি আসন তারা গ্রহণ করেনি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। আরেকটি গণভোটকে অপ্রয়োজনীয় বলে আখ্যা দিয়ে লেখক সরকার, বিরোধী দল ও সুশীল সমাজকে আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য পরিবর্তনে পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

14 Oct 26 1NOJOR.COM

সাংবিধানিক সংস্কার বিরোধ মেটাতে সংলাপ ও জাতীয় ঐকমত্যের আহ্বান

নিউজ সোর্স

বিরোধিতার মাঝে ঐক্যের প্রত্যাশা

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের একটি মৌলিক শিক্ষা হলো, সংবিধান কোনো মৃত দলিল নয়; সে সমাজের সঙ্গে বেড়ে ওঠে, বদলায়, আবার প্রয়োজনে নিজেকে সংযতও রাখে। কে. সি. হুইয়ার (K. C. Wheare) তার ‘মডার্ন কনস্টিটিউশনস’ গ্রন্থে দেখিয়েছেন, ভালো সংবিধান পরিবর্তনের পথ খোলা রাখে অথচ ক্

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।