Web Analytics

বরাদ্দ কম থাকায় ফেনীতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা ওএমএসের লাইনে দাঁড়িয়েও অনেক নিম্ন আয়ের মানুষ চাল ও আটা না পেয়ে খালি হাতে ফিরছেন। জনপ্রতি পাঁচ কেজি চাল ও পাঁচ কেজি আটা কেনার সুযোগ রয়েছে; চাল প্রতি কেজি ৩০ টাকা এবং আটা ২৪ টাকায় বিক্রি হয়। ভোর থেকেই বিক্রয়কেন্দ্রগুলোর সামনে দীর্ঘ সারি তৈরি হলেও কোনো সপ্তাহে একদিন, আবার কোনো সপ্তাহে দুদিন পণ্য বিক্রি হয়।

বিশ্বব্যাপী খাদ্যসংকট ও দেশে চালের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির পর ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে সরকার ওএমএস কার্যক্রম চালু করে। ফেনী পৌরসভায় ২০১০ সালে শুরু হওয়া এ কার্যক্রমে ১৮টি ওয়ার্ডে এখনো মাত্র ছয়টি বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালে পৌরসভার জনসংখ্যা ছিল ১ লাখ ৯২ হাজার, যা বর্তমানে ২ লাখ ৭৮ হাজারে দাঁড়িয়েছে।

একজন ডিলার জানান, প্রতি বরাদ্দে ৭৫০ কেজি চাল ও ৭৫০ কেজি আটা পাওয়া যায় এবং সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর পর্যন্ত বিক্রি চলে। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আলাউদ্দিন ঢালী বলেন, কেন্দ্র, বরাদ্দ ও ট্রাকভিত্তিক বিক্রি বাড়ানোর প্রয়োজনের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম কেন্দ্র না বাড়ানোকে দুঃখজনক বলেছেন।

24 Oct 26 1NOJOR.COM

কম বরাদ্দে ফেনীতে ওএমএসের চাল-আটা না পেয়ে ফিরছেন অনেকে

নিউজ সোর্স

দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও ওএমএসের চাল ও আটা মিলছে না ফেনীতে

বরাদ্দ কম থাকায় ফেনীতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও ওএমএসের চাল না পেয়ে অনেককেই খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে । সরেজমিনে শহরের একাধিক ওএমএসের কেন্দ্রে গিয়ে জানা যায়, জনপ্রতি পাঁচ কেজি চাল ও পাঁচ কেজি আটা কেনার সুযোগ রয়েছে। প্রতি কেজি চাল ৩০

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।