Web Analytics

দুর্গম এলাকার মানুষের কাছে দ্রুত ভূমিকম্পের আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছাতে মসজিদের লাউডস্পিকার ব্যবহারের সম্ভাবনা পরীক্ষা করছে ইন্দোনেশিয়া। পাঁচ বছর মেয়াদি এই পরীক্ষামূলক প্রকল্প ২০৩০ সাল পর্যন্ত চলার কথা। জাপানের কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ প্রতিরোধ গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী ইনোয়ে হিরোশি ইন্দোনেশিয়া সরকারের সহযোগিতায় প্রকল্পটি পরিচালনা করছেন। লক্ষ্য হলো, জাপানের মতো ভূমিকম্পের আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা দেশটিতে গড়ে তোলা সম্ভব কি না তা যাচাই করা।

ইন্দোনেশিয়ার বিস্তৃত মসজিদ নেটওয়ার্ক, দৈনিক ব্যবহৃত মাইক এবং স্থানীয়ভাবে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণকে এই উদ্যোগের সুবিধা হিসেবে দেখছেন গবেষকেরা। কয়েকটি মসজিদকে ইতিমধ্যে ভূমিকম্প শনাক্তকারী সেন্সর নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে, তবে সাধারণ মানুষের কাছে এখনো সরাসরি সতর্কবার্তা পাঠানো হচ্ছে না। ভূমিকম্পে যোগাযোগ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলে মোবাইল নেটওয়ার্ক অকার্যকর হতে পারে বলেও তাঁদের মত।

গবেষকদের হিসাবে, উৎপত্তিস্থল থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরের গ্রামের মানুষ সতর্ক হওয়ার জন্য মাত্র পাঁচ থেকে ১০ সেকেন্ড সময় পেতে পারেন। স্থানীয় ভবনের ধরন বিবেচনায় ভূমিকম্পের সময় নিরাপদ আচরণ নিয়েও গবেষণা চলছে। মসজিদের পাশাপাশি স্কুলের লাউডস্পিকার, রেডিও ও টেলিভিশন ব্যবহারের উপায়ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

12 Oct 26 1NOJOR.COM

ভূমিকম্পের সতর্কবার্তায় মসজিদের মাইক ব্যবহারের পরীক্ষা ইন্দোনেশিয়ায়

নিউজ সোর্স

ভূমিকম্পের সতর্কবার্তা দ্রুত পৌঁছাতে নতুন উদ্যোগ ইন্দোনেশিয়ায়

ভূমিকম্পের আগাম সতর্কবার্তা মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছে দিতে মসজিদের মাইক ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে ইন্দোনেশিয়া। দেশটির প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে সতর্কবার্তা পৌঁছাতে আগে থেকেই থাকা মসজিদের লাউডস্পিকারগুলো কাজে লাগানোর সম্ভাবনা যাচাই করছেন বিজ্ঞানীরা।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।