Web Analytics

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার লর্ড পিটার ম্যান্ডেলসনকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কে তীব্র রাজনৈতিক চাপে পড়েছেন। স্কটিশ লেবার পার্টির নেতা আনাস সারোয়ার সরাসরি তার পদত্যাগ দাবি করেছেন, যুক্তি দিয়েছেন যে এই বিতর্ক সরকারের ইতিবাচক কাজগুলোকে আড়াল করছে। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ দুই শীর্ষ কর্মকর্তা—যোগাযোগপ্রধান টিম অ্যালান ও চিফ অব স্টাফ মরগান ম্যাকসুইনি—দুই দিনের ব্যবধানে পদত্যাগ করেছেন, যা সংকটকে আরও গভীর করেছে।

বিতর্কের সূত্রপাত হয় যুক্তরাষ্ট্রের সাজাপ্রাপ্ত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে ম্যান্ডেলসনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক প্রকাশের পর। ২০২৪ সালের শেষ দিকে ম্যান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্তে স্টারমার সমালোচনার মুখে পড়েন, যদিও সেপ্টেম্বরে তাকে ওই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ম্যান্ডেলসন লেবার পার্টি ও হাউস অব লর্ডস থেকে পদত্যাগ করেন। দলীয় অসন্তোষ থাকা সত্ত্বেও চ্যান্সেলর র‍্যাচেল রিভস, উপপ্রধানমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি ও অ্যাঞ্জেলা রেনার প্রকাশ্যে স্টারমারের পাশে রয়েছেন।

বিরোধী কনজারভেটিভ নেতা কেমি ব্যাডেনক অভিযোগ করেছেন, স্টারমার সরকার পরিচালনায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হলে নতুন নির্বাচনের দাবি উঠতে পারে। এদিকে ম্যান্ডেলসনের বরখাস্তের পর সরকারি অর্থসংক্রান্ত বিষয়টি পর্যালোচনা করছে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তর।

10 Feb 26 1NOJOR.COM

লর্ড ম্যান্ডেলসন বিতর্কে কিয়ার স্টারমারের ওপর চাপ, পদত্যাগ দাবি ও নেতৃত্ব সংকট

নিউজ সোর্স

গভীর সংকটে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, পদত্যাগের জোরালো দাবি | আমার দেশ

আমার দেশ অনলাইন
প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪: ৩০আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪: ৫৬
আমার দেশ অনলাইন
যুক্তরাজ্যের সাবেক মন্ত্রী ও প্রভাবশালী রাজনীতিক লর্ড পিটার ম্যান্ডেলসনকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কে তীব্র রাজনৈতিক চাপে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।