Web Analytics

অভাবের সংসারে বড় মেয়ে সুমি খাতুন করোনাকালে এনজিওর চাকরি হারিয়ে ময়মনসিংহে ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদন শুরু করেন। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের পরামর্শে তিনি মাত্র ১০টি রিং ও ৩ কেজি কেঁচো দিয়ে কাজ শুরু করেন। শাকসবজির বর্জ্য ও গোবর মিশিয়ে তৈরি এই জৈব সার বিক্রি করতে প্রথম ছয় মাস ব্যর্থ হলেও তিনি হাল ছাড়েননি। পরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাকুরা নাম্ভীর সহায়তায় বাজারে প্রবেশের সুযোগ পান এবং ১৫ মণ সার উৎপাদন করেন।

বর্তমানে তার খামারে ১২টি চেম্বার রয়েছে। পাশাপাশি তিনি একটি পুষ্টি বাগান ও আনারস বাগান গড়ে তুলেছেন, যেখানে মাল্টা, পেঁপে, মরিচ, সরিষা ও কলা চাষ করেন। সুমি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ইয়েস গ্রুপের সদস্য এবং স্থানীয় রক্তদান সংগঠনের সক্রিয় কর্মী। ২০২৫ সালে এক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হলেও তিনি পুনরায় কাজে ফিরেছেন।

২০২৪ সালে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে অর্থনীতিতে স্বাবলম্বী নারী হিসেবে ‘জয়িতা’ পুরস্কার এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পুরস্কার অর্জন করেন। বর্তমানে আনন্দ মোহন কলেজে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত সুমি ভবিষ্যতে উৎপাদন বাড়িয়ে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চান।

30 Apr 26 1NOJOR.COM

ময়মনসিংহে মহামারির পর সুমি খাতুনের সফল ভার্মি কম্পোস্ট উদ্যোগ

নিউজ সোর্স

ভার্মি কম্পোস্ট সার নিয়ে সুমির স্বপ্ন… | আমার দেশ

খন্দকার বদিউজ্জামান বুলবুল
প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০: ২৮
অভাবের সংসারে পরিবারের বড় মেয়ে সুমি। পরিবারের হাল ধরতে তিনি বছরের পর বছর বিভিন্ন এনজিও প্রতিষ্ঠানে নামমাত্র বেতনে চাকরি করেছেন। করোনার প্রাদুর্ভাবে যখন জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে, তখন তার জীবনে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।