Web Analytics

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, ২০০৯ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিদ্যুৎ খাতের অনিয়ম ও অস্বাভাবিক চুক্তির কারণে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ক্যাপাসিটি চার্জ হিসেবে ২ লাখ ৮৯ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। তিনি এই অর্থপ্রদানকে অত্যন্ত অস্বাভাবিক ও অন্যায্য বলে উল্লেখ করেন। সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ব্যবসায়ী ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের নিয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য দেন বলে বৈঠক সূত্র জানিয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী দেশের জ্বালানি খাতের বিদ্যমান কাঠামোগত দুর্বলতা ও ভঙ্গুরতার জন্য সরাসরি বিগত আওয়ামী লীগ সরকার এবং শেখ হাসিনার নীতিকে দায়ী করেন। তাঁর ভাষ্য, আগের সরকারের ভুল নীতি, সিদ্ধান্তহীনতা ও দূরদর্শিতার চরম অভাব বর্তমান সংকটজনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০ ব্যবহার করে তৎকালীন সরকার কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীকে অনৈতিক ও অহেতুক বিশেষ সুবিধা দিয়েছিল।

অমিত জানান, বিদ্যুৎ বিক্রয় চুক্তি পুনর্মূল্যায়ন করে ইতোমধ্যে ১৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ট্যারিফ বা বিদ্যুতের মূল্য উল্লেখযোগ্য হারে কমানো হয়েছে। একই বিষয়ে আরও ৫১টি কেন্দ্রের সঙ্গে চূড়ান্ত দরকষাকষি চলছে। যেসব কেন্দ্রের মেয়াদ শেষ পর্যায়ে, সেগুলোর ক্ষেত্রে কেন্দ্র অলস থাকলে ক্যাপাসিটি চার্জ না দেওয়ার “নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট” নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের কথা জানান তিনি।

15 Sep 26 1NOJOR.COM

২০০৯ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত ক্যাপাসিটি চার্জে ২ লাখ ৮৯ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা পরিশোধের দাবি

নিউজ সোর্স

বিদ্যুতে লোপাট: ২,৮৯,৯৪৯ কোটি টাকার ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধ

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিদ্যুৎ খাতে অনিয়ম ও অস্বাভাবিক চুক্তির কারণে কেবল ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ২,৮৯,৯৪৯ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে, যা অত্যন্ত অস্বাভাবিক ও অন্যা

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।