Web Analytics

ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকের কারণে কেউ ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে অস্বীকার করলে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত নয় বলে মৌখিক পর্যবেক্ষণ দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহানার তিন সদস্যের বেঞ্চ কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জবাব চেয়েছে।

কর্ণাটকের সংগীতশিল্পী টি এম কৃষ্ণা ২০২৬ সালের জাতীয় সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ সংশোধনী আইনের সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন। সংশোধিত আইনে ‘জনগণমন’-এর মতো ‘বন্দে মাতরম’-কেও আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে এবং গানটি গাওয়ায় বাধা বা ব্যাঘাত ঘটালে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিকায় সরকারি ও আনুষ্ঠানিক মঞ্চে ছয়টি স্তবক গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়।

আবেদনকারীর আইনজীবী এস মুরলীধর বলেন, শেষ চার স্তবকে হিন্দু দেবদেবীর স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে; তাই সব স্তবক গাইতে বাধ্য করা মতপ্রকাশ ও ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিপন্থি। বিচারপতি বাগচী ১৯৮৬ সালের বিজয়ে ইমানুয়েল মামলার নজির তুলে ধরে বলেন, ধর্মীয় কারণে জাতীয় সংগীতে কণ্ঠ না মিলিয়ে শ্রদ্ধার সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকাকে অপরাধ বলা যায় না।

23 Sep 26 1NOJOR.COM

বিবেক বা ধর্মীয় বিশ্বাসে বন্দে মাতরম না গাইলে শাস্তি নয়, বলেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

নিউজ সোর্স

‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় ভারতের সুপ্রিম কোর্টের

ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকের কারণে কেউ যদি ‘বন্দে মাতরম’ গানটি গাইতে অস্বীকার করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ফৌজদারি বা শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া উচিত হবে না বলে জানিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। একই সঙ্গে ভারতের কেন্দ্র সরকারের কাছে এ বিষয়ে জবাব তলব

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।