Web Analytics

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে বোয়িং উড়োজাহাজ পরিচালনা এবং প্রশিক্ষিত সহায়ক কর্মী থাকার কারণে বাংলাদেশের বোয়িং বেছে নেওয়ার প্রবণতা কিছুটা বেশি। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ বিমানের ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি নিয়ে আলোচনার মধ্যে তিনি সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন।

রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৩০ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে। উড়োজাহাজগুলোর খরচ ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার, বা উল্লিখিত বিনিময় হার অনুযায়ী ৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা। বোয়িং ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে উড়োজাহাজ সরবরাহ করবে। ৩১ আগস্ট বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধের পর বাংলাদেশ এ ক্রয় করছে; আরও উড়োজাহাজ লিজ এবং এয়ারবাস কেনার পরিকল্পনাও রয়েছে।

জাহেদ বলেন, পরিশোধ দীর্ঘ সময় ধরে ধাপে ধাপে হবে এবং উড়োজাহাজও দ্রুত হাতে আসবে না, তাই অর্থনীতিতে এর তাৎক্ষণিক প্রভাব নেই। সরকার খারাপ অর্থনীতি পেয়েছে স্বীকার করলেও তিনি সংকট কাটিয়ে ওঠার আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রয়োজনে এয়ারবাস থেকেও উড়োজাহাজ কেনা হবে এবং এয়ারবাসকে পিছিয়ে দেওয়ার কোনো বিষয় নেই। ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার এয়ারবাসের প্রতিযোগিতামূলক প্রস্তাব গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।

09 Sep 26 1NOJOR.COM

ধাপে ধাপে পরিশোধ ও বিলম্বিত সরবরাহে বোয়িং কেনায় তাৎক্ষণিক চাপ নেই বলে সরকারের দাবি

নিউজ সোর্স

বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেন কিনছে সরকার, ব্যাখ্যা দিলেন তথ্য উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, যেহেতু দীর্ঘদিন থেকে আমরা বোয়িং অপারেট করি, বোয়িংয়ের যে পুরো সাপোর্টিং স্টাফ, সেটা আমাদের অনেকটা প্রস্তুত আছে, প্রশিক্ষিত আছে; সেই কারণেই আমাদের বোয়িংয়ের প্রতি কিছুটা বেশি চুজ করার

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।